নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: এক নয়, পর পর অন্তত চার-পাঁচটি স্টল। নদীয়ার তাহেরপুর থানা এলাকার ঐতিহ্যবাহী বীরনগর লালন মেলায় বেআইনি জুয়ার রমরমার ভিডিও ভাইরাল। স্বাভাবিকভাবেই রানাঘাট পুলিস জেলা ও তাহেরপুর থানার ভূমিকা প্রশ্নের মুখে। জুয়ার রমরমার বিষয়টি নিয়ে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি থেকে বিডিও সর্বত্র অভিযোগ গেলেও নাকি জানেই না পুলিস? কর্তাদের দাবি অন্তত তেমনটাই। যদিও মেলার চারদিন রমরমিয়ে জুয়ার আসর চলেছে বলে দাবি পড়শি দোকানদারদেরই! কী ঘটেছে ঘটনা? জানা গিয়েছে, বীরনগরের একটি মাঠে চলছে লালন মেলা নামের একটি গ্রামীণ মেলা। সাংস্কৃতিক সেই মেলায় একদিকে যেমন সাধুসন্তদেয় উপস্থিতি হয়েছে, তেমনই বসছে বাউল গানের আসর। সেই মেলাতেই নাকি চোরাগোপ্তা নয়, রীতিমত সাজিয়ে বসেছে জুয়ার আসর। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে এরকম একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। যদিও সেই ভাইরাল ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি ‘বর্তমান’। তারপরই শোরগোল পড়ে যায়। এরপর চাপে পড়েই নাকি আর আসর বসেনি মঙ্গলবার। পড়শী দোকানদারদের দাবি, মেলার প্রথম দিন থেকেই রমরমিয়ে চলছিল জুয়া। লুকিয়ে নয়, বরং প্রকাশ্যেই কোথাও গোল চরকি বসিয়ে তো তাসের জুয়ায় মেতে উঠছিলেন মেলায় আসা একশ্রেণির মানুষ। রীতিমত টাকাও উড়ছিল এইসমস্ত বোর্ডে। এক কাপ, প্লেট বিক্রির দোকানদার পরিমল পাইক (নাম পরিবর্তিত) বলেন, প্রতিদিন বসেছে জুয়ার আসর। সবাই সব জানত। বুধবার হয়ত চাপে পড়ে আর বসেনি। একই সুরে আরও এক দোকানদার বাপি দাস(নাম পরিবর্তিত) বলেন, বুধবার কেন বসেনি জানি না। তবে যারা সেই জুয়ার বোর্ড চালায় তারা এই চত্বরেই রয়েছে। এখানে প্রকাশ্যে যেমন জুয়ার আসর চলছে তেমন রেল লাইনের ধারে মদের আসরও বসছে। কেউ দেখার নেই। প্রকাশ্যে যখন বুক ফুলিয়ে চলছে তখন পুলিসও জানে নিশ্চয়ই। এদিকে, প্রকাশ্যে জুয়ার আসর চলছে বলে অভিযোগ পেয়েছেন, একথা স্বীকার করে নেন রানাঘাট ১ ব্লকের বিডিও এবং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি। যেমন বিডিও জয়দেব মন্ডল বলেন, আমাদের কাছে অভিযোগ এসেছে যে ওই মেলায় প্রকাশ্যে জোয়ার আসর বসছে। আমরা প্রশাসনের সংক্ষিপ্ত দপ্তরে জানিয়েছি। এই ধরনের বেআইনি কাজ সমর্থন করা যায় না। যদিও জুয়ার কোনও ঘটনা তাদের নজরে আসেনি বলে জানিয়েছেন রানাঘাটের এসডিপিও সবিতা গটিয়াল। তিনি বলেন, পুলিস ওখানে নিয়মিত টহল দিচ্ছে। জুয়ার আসর বসেছে বলে আমাদের কাছে কোনও খবর নেই। মেলার কাছে পুলিস পোস্টিংও রয়েছে। তবে ভিডিও যখন ভাইরাল হচ্ছে বলে শোনা যাচ্ছে তখন আমি একবার খতিয়ে দেখছি। সেরকম তথ্য প্রমাণ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যদিও কেবলমাত্র দোকানদাররাই নন,একাধিক



