Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

ভারতকে দূরে ঠেলে ট্রাম্প ক্ষতি করছেন, তোপ ডেমোক্র্যাটদের, ‘ইউক্রেন সংঘাত মোদির যুদ্ধ’, খোঁচা উপদেষ্টার

রাশিয়া থেকে তেল কেনার ‘জরিমানা’ হিসেবে বাড়তি কর চেপেছে। ভারতীয় পণ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের চাপানো ৫০ শতাংশ শুল্ক ইতিমধ্যেই কার্যকর হয়েছে।

ভারতকে দূরে ঠেলে ট্রাম্প ক্ষতি করছেন, তোপ ডেমোক্র্যাটদের, ‘ইউক্রেন সংঘাত মোদির যুদ্ধ’, খোঁচা উপদেষ্টার
  • ২৯ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

ওয়াশিংটন: রাশিয়া থেকে তেল কেনার ‘জরিমানা’ হিসেবে বাড়তি কর চেপেছে। ভারতীয় পণ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের চাপানো ৫০ শতাংশ শুল্ক ইতিমধ্যেই কার্যকর হয়েছে। আর এই ইস্যুতে খোদ মার্কিন মুলুকেই বিতর্ক তুঙ্গে। বিরোধী ডেমোক্র্যাটদের সমালোচনার মুখে পড়ে এবার নয়া যুক্তি সাজাতে শুরু করল ট্রাম্প প্রশাসন। হোয়াইট হাউসের বাণিজ্য উপদেষ্টা পিটার নাভারোর অভিযোগ, ভারতের তেল কেনার টাকায় রাশিয়া এতদিন যুদ্ধ টেনে নিয়ে যেতে পারছে। রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত আসলে ‘মোদির যুদ্ধ’। ভারতকে ‘উদ্ধত’ বলেও তোপ দেগেছেন তিনি। এরইমধ্যে রীতিমতো হুমকির সুর ট্রাম্পের শীর্ষ আর্থিক উপদেষ্টা কেভিন হ্যাসেটের কণ্ঠে। তাঁর হুঁশিয়ারি, ভারতকে যেভাবেই হোক রাশিয়া থেকে তেল কেনায় রাশ টানতে হবে। ভারত নত না হলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট কোনওভাবেই বাড়তি শুল্ক প্রত্যাহারের পথে হাঁটবেন না। যদিও রাশিয়ার তেল কেনা নিয়ে শুধুমাত্র ভারতকে কাঠগড়ায় তোলার জন্য ট্রাম্প প্রশাসনের মুণ্ডপাত করেছেন মার্কিন কংগ্রেসে বিদেশ বিষয়ক কমিটির ডেমোক্র্যাট সদস্যরা। এক্স হ্যান্ডলে ডেমোক্র্যাটদের তরফে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘চীন সহ অন্য যারা তুলনায় অনেক বেশি পরিমাণে রাশিয়ার তেল কিনছে, তাদের উপর নিষেধাজ্ঞা না চাপিয়ে একমাত্র ভারতকে নিশানা বানাচ্ছেন ট্রাম্প। এর ফলে আমেরিকানরাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। নষ্ট হচ্ছে ভারত-মার্কিন সুসম্পর্ক।’

Advertisement

বিরোধী শিবিরের এই তোপের মুখে এক সাক্ষাৎকারে নাভারোর সাফাই, গোটা বিশ্ব রাশিয়াকে একঘরে করার চেষ্টা করলেও ভারতের জন্য তা জলে যাচ্ছে। রাশিয়া থেকে ছাড় পেয়ে ভারত সস্তায় তেল কিনে চলেছে। সেই অর্থেই ইউক্রেন যুদ্ধ টেনে নিয়ে যাচ্ছে মস্কো। এর ফলে ইউক্রেনের নিরাপত্তায় পরোক্ষে আমেরিকা ও ইউরোপকে অর্থ ঢালতে হচ্ছে। ইউক্রেন ইউরোপ ও আমেরিকার কাছে এসে বলছে, আমাদের আরও টাকা দিন। ভারত যা করছে তার ফলে আমেরিকায় প্রত্যেকেরই ক্ষতি হচ্ছে। মার্কিন ক্রেতা, ব্যবসায়ী, শ্রমিক, সবাইকেই ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে। আর মার্কিন করদাতাদের কী অবস্থা? তাঁদের অর্থ ‘মোদির যুদ্ধে’র জন্য খরচ হচ্ছে।’ তবে চীন তুলনায় অনেক বেশি রুশ তেল কেনা সত্ত্বেও কেন তাদের উপর 
ভারতের মতো বাড়তি শুল্ক চাপানো হয়নি, এবিষয়ে  নীরব মার্কিন প্রশাসনের এই প্রবীণ আধিকারিক। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ