সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: দুষ্কৃতীদের আক্রমণে গুরুতর আহত হলেন কুলপি ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের যুব সভাপতি সামসুর আলাম মীর। তাঁকে বাঁচাতে গেলে আক্রান্ত হন তাঁর কাকা রাজেশ শেখও। রবিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে কুলপির শ্যাম বসুর চক বাসস্ট্যান্ড লাগোয়া এলাকায়।
সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: দুষ্কৃতীদের আক্রমণে গুরুতর আহত হলেন কুলপি ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের যুব সভাপতি সামসুর আলাম মীর। তাঁকে বাঁচাতে গেলে আক্রান্ত হন তাঁর কাকা রাজেশ শেখও। রবিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে কুলপির শ্যাম বসুর চক বাসস্ট্যান্ড লাগোয়া এলাকায়।
ওইদিন ইফতার সেরে সামসুর একটি বাজারের এক দোকানের সামনে দাঁড়িয়েছিলেন। অভিযোগ, তখন পাঁচজন দুষ্কৃতী প্রথমে তাঁকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। প্রতিবাদ করতেই তাঁর মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করা হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় সামসুর মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এরপরও তাঁকে মারধর করা হয়। এই ঘটনা জানার পরই সামসুরের কাকা ঘটনাস্থলে আসেন ভাইপোকে বাঁচাতে। কিন্তু তাঁকেও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। এরপর স্থানীয় বাসিন্দারা আহত অবস্থায় দু’জনকে উদ্ধার করে কুলপি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে সামসুরের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে প্রথমে ডায়মন্ডহারবার, পরে এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
এই ঘটনায় কাশফুল শেখ, শাহিদ হোসেন শেখ, রামিজ শেখ, মীরাজুল মিস্ত্রি, রমজান মিস্ত্রির নামে কুলপি থানায় লিখিত অভিযোগ করেন সামসুরের স্ত্রী নাসরিন খাতুন মীর ও তাঁর কাকা। তবে অভিযুক্তরা প্রত্যেকেই পলাতক বলে জানা গিয়েছে। এদিকে, অভিযুক্তদের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। সামসুরের কাকার দাবি, দুষ্কৃতীরা আইএসএফের কর্মী। রাজনৈতিক প্রতিহিংসাবশত এই ঘটনা ঘটিয়েছে। যদিও আইএসএফের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। দলের দক্ষিণ ২৪ পরগনার সহ-সম্পাদক বাহাউদ্দিন মোল্লা বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে আইএসএফের কোনও কর্মী জড়িত নন। ইচ্ছাকৃতভাবে আমাদের ঘাড়ে দোষ চাপানো হচ্ছে।
অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের কুলপি ব্লকের সভাপতি সুপ্রিয় হালদার বলেন, এই পাঁচ দুষ্কৃতীকে আইএসএফের পার্টি অফিসে আসতে দেখা গিয়েছে। ঘটনায় যুক্তদের বিরুদ্ধে পুলিসকে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। সুন্দরবন পুলিস জেলার সুপার কোটেশ্বর রাও বলেন, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। নিজস্ব চিত্র