Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বিএলএদের থেকে রিপোর্ট নিচ্ছে তৃণমূল, নজরে বিধায়কদের ভূমিকা

এসআইআর পর্বে মানুষের পাশে দাঁড়াতে বার্তা দিয়েছেন তৃণমূলের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব। তাতে দলীয় বিএলএ’দের সঙ্গে বিধায়কদের সম্পর্ক কেমন, তা জানতে ফোন করছেন ভোটকুশলী সংস্থার সদস্যরা।

বিএলএদের থেকে রিপোর্ট নিচ্ছে তৃণমূল, নজরে বিধায়কদের ভূমিকা
  • ৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: এসআইআর পর্বে মানুষের পাশে দাঁড়াতে বার্তা দিয়েছেন তৃণমূলের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব। তাতে দলীয় বিএলএ’দের সঙ্গে বিধায়কদের সম্পর্ক কেমন, তা জানতে ফোন করছেন ভোটকুশলী সংস্থার সদস্যরা। জানতে চাওয়া হচ্ছে, এই পর্বে বিধায়করা মানুষের সঙ্গে কেমন যোগাযোগ রেখেছেন। শুধু পাশে দাঁড়ানোই নয়, হিয়ারিংয়ের ক্ষেত্রেও বিধায়করা এলাকায় কেমন সময় দিচ্ছেন, তা নিয়েও জানতে চাওয়া হচ্ছে। একপ্রকার ছাব্বিশের টিকিট বণ্টনের ক্ষেত্রে জনসংযোগে বিধায়কদের ‘রিপোর্ট কার্ড’ সংগ্রহ করছেন শীর্ষ নেতৃত্ব। বারাসত থেকে বসিরহাটের একাধিক বিলএল-২’কে ফোন করা হয়েছে। বিএলএ’রা বিষয়টি খোলসা করছেন না। তবে তাঁদের কথাতেই আঁচ পাওয়া যাচ্ছে যে দল এখন থেকেই ঝাড়াই-বাছাই শুরু করে দিয়েছে। 

Advertisement

এসআইআর ২০২৬-এ যোগ্য ভোটারদের নাম বাদ গেলে ধারাবাহিক আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিকে কীভাবে কাজ করতে হবে, তা নিয়ে একাধিকবার ভার্চুয়াল বৈঠকও করেছেন তিনি। মূলত, বিএলএ-২’দের কী কী করা উচিত সেই বিষয়েও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে দল। একেবারে তৃণমূল স্তরে কাজ করছেন বিএলএ’রা। আর তাঁদের কাছে এক্ষেত্রে থাকছে বিভিন্ন রিপোর্ট। তাই সরাসরি এলাকার খবর নিতে মাঠে নেমে পড়েছে তৃণমূলের ভোটকুশলী সংস্থা। শুরু হয়ে গিয়েছে দলীয়ভাবে ফোন করে রিপোর্ট সংগ্রহ। দলীয় সূত্রের খবর, এসআইআর পর্বে বিধায়করা এলাকায় কেমন সময় দিচ্ছেন কিংবা বিএলএ’দের সঙ্গে কীভাবে যোগাযোগ রেখেছেন, তারও রিপোর্ট নেওয়া হচ্ছে। বিবিধ সমস্যায় বিধায়কের সহায়তা বিএলএ’রা পাচ্ছেন কি? জানতে চাইছেন ফোনের অপর প্রান্তের সমীক্ষকরা। আসন্ন নির্বাচনে ওই বিধায়ক ফের টিকিট পেলে ফলাফল কী হতে পারে, তাও যাচাই করে নেওয়া হচ্ছে প্রাথমিকভাবে। সূত্রের খবর, বারাসত সাংগঠনিক জেলার ক্ষেত্রে স্থানীয় বিধায়ককে কাছে না-পাওয়ার নালিশ জমা পড়েছে। অন্যদিকে, জেলার অনান্য বিধানসভা কেন্দ্রে অবশ্য বিধায়কের গরহাজিরার তেমন অভিযোগ জমা পড়েনি। মিশ্র রিপোর্ট হয়েছে দেগঙ্গা নিয়ে। 
অন্যদিকে, বসিরহাট জেলার বেশিরভাগ বিধানসভা আসন সম্পর্কে মিলেছে মিশ্র মতামত। এক্ষেত্রে দলীয় মনোমালিন্যের প্রতিফলন ঘটেছে বলেই মত অনেকের। এনিয়ে বারাসতের এক বিএলএ রাজু বিশ্বাস (নাম পরিবর্তিত) বলেন, আমাকে ফোন করে বিধায়কের সম্বন্ধে জানতে চাওয়া হয়েছিল। আমি পরিষ্কার বলে দিয়েছি, ‘উনি আসেন না। এসআইআর পর্বে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগই রাখেননি।’ অন্যদিকে, হাড়োয়ার এক বিএলএ বলেন, এলাকায় ক্যাম্প হয়েছে। আর বিধায়ক কী কী করেছেন, কীভাবে সময় দিয়েছেন, তা বলেছি। তবে, আগামীতে টিকিট দেওয়ার প্রসঙ্গে আমি কী মত ব্যক্ত করেছি, তা বলব না। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ