Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

দুপুরেই যানজট, রাতে জনপ্লাবন চন্দননগরে

রবি, সোমের পর মঙ্গলবারও উপচে পড়া ভিড় চন্দননগরে। মঙ্গলবার দুপুর থেকেই শহরের পথঘাটে ভিড়ের দাপট। গত দু’দিন রাতের বদলে দর্শকরা ভিড় জমিয়েছিলেন দুপুরে।

দুপুরেই যানজট, রাতে জনপ্লাবন চন্দননগরে
  • ২৯ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: রবি, সোমের পর মঙ্গলবারও উপচে পড়া ভিড় চন্দননগরে। মঙ্গলবার দুপুর থেকেই শহরের পথঘাটে ভিড়ের দাপট। গত দু’দিন রাতের বদলে দর্শকরা ভিড় জমিয়েছিলেন দুপুরে। ফলে তখন থেকেই যানজট চন্দননগর ও ভদ্রেশ্বরের একাধিক এলাকায়। দুপুরে দফায় দফায় যানজট তৈরি হওয়ায় বিপত্তি বাড়ে। বাইরে থেকে আসা মানুষের ঢল আর বাইক এবং গাড়িতে করে প্রতিমা দর্শনের টানে বারবার অবরুদ্ধ হয়ে  পড়ে চন্দননগর। প্রতিদিনই আগের দিনের ভিড়ের রেকর্ড নতুন করে লিখতে হয়েছে। হাসি চওড়া থেকে বিস্তৃত হয়েছে পুজো উদ্যোক্তাদের। 

Advertisement

দুপুরে ভিড় ছিলই। সন্ধ্যা নামতেই নতুন করে ভিড় জমতে শুরু করে মঙ্গলবার। ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকলেও উৎসাহী নাগরিকদের বিপুল ভিড়ে ভেসে গিয়েছে চন্দননগর ও ভদ্রেশ্বরের পুজো মণ্ডপ। উত্তরাঞ্চল থেকে চন্দননগরের খলিসানি, ভদ্রেশ্বর স্টেশন ভদ্রেশ্বর, চন্দননগরমুখী রাস্তায় দুপুর থেকে মধ্যরাত থিকথিকে ভিড় দেখা গিয়েছে। অঙ্কের হিসেবে অবশ্য দিনের জনস্রোতকে টেক্কা দিয়েছে রাত। মনোরম আবহাওয়া আর ছুটির দিন হওয়ায় জগদ্ধাত্রীভূমে নেমে পড়েছিল জনজোয়ার। দুপুরে বাইরে থেকে আসা মানুষ আলোর খেলা দেখার টানে রয়ে গিয়েছিলেন সন্ধ্যা পর্যন্ত। আবার রাতে হুগলির বিভিন্ন এলাকা চুঁচুড়া, শ্রীরামপুর, বলাগড়, এমনকি চন্দননগরের মানুষও ভিড় জমিয়েছিলেন। তাতেই ভিড় মাত্রা ছাড়িয়ে যায়। এদিন গত কয়েকদিনের তুলনায় কিছুটা ঠান্ডার আভাস মিলেছে বাতাসে। তারপরও ভিড়ের দাপট সামলাতে গলদঘর্ম হতে হয়েছে পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবকদের। চন্দননগরের রথের সড়ক সবর্জনীনের পুজো উদ্যোক্তা অভিজিৎ সেন বলেন, সকাল থেকে মানুষ চন্দননগরের পথেঘাটে ভিড় জমিয়েছিলেন এমন দৃশ্য বিরল সন্দেহ নেই। রবিবার থেকে ছুটির মরশুম চলায় ভিড়ের দাপট অন্যমাত্রা পেয়েছে। দুপুরে শহরে এসেছিলেন হাওড়ার নবীন সেন। বেশোহাটার অন্যতম বৃহৎ দেবী প্রতিমার মণ্ডপে দাঁড়িয়ে হাসতে হাসতে বলেন, সকাল সকাল পুজো দেখে রাতের আলোকসজ্জা সামান্য দেখেই ফিরব ভেবেছিলাম। কিন্তু ভিড়ের দাপটে শহর থেকে বের হতেই পারিনি। তাতেই চারটের বেশি মণ্ডপ দেখা হয়ে গিয়েছে। চন্দননগরের অন্যতম প্রবীণ পুজো উদ্যোক্তা তথা বারাসত ব্যানার্জি পাড়ার পুজো উদ্যোক্তা শুভেন্দু মুখোপাধ্যায় বলেন, এভাবে প্রতিদিন ভিড়ের নতুন রেকর্ড তৈরি হওয়া বহুদিন দেখিনি। 
দুপুর বেলার ভিড় কিছুটা ফিকে হয়েছিল বিকেলের পর। সেই সময় আকাশও কিছুটা কালো হয়ে গিয়েছিল। বাতাসেও ছিল ঝড়ের গন্ধ। ফলে ভিড়ের ছন্দপতন হয়। তার কিছু পর ফের নতুন উদ্যমে জমাট বাধে ভিড়। সপ্তমীর নতুন রেকর্ড গড়ে জগদ্ধাত্রী নগরী।

সম্পর্কিত সংবাদ