নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: প্রশাসনের নির্দেশের পরও পুরোপুরি বদলালো না ছবি। শুক্রবার সকালে জলপাইগুড়ির দিনবাজারে ফিশ মার্কেটে আচমকা অভিযানে গিয়ে সদর মহকুমা শাসকের নজরে এল বাজারের ভিতর ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে থার্মোকলের বাক্স। যা দেখে ক্ষোভ উগড়ে দেন এসডিও তমোজিৎ চক্রবর্তী। দু’দিনের মধ্যে যাতে সমস্ত থার্মোকলের বাক্স তুলে নেওয়া হয়, সেব্যাপারে সংশ্লিষ্ট মাছ বাজার কমিটির পাশাপাশি পুরসভাকেও বিষয়টি দেখতে বলেন তিনি। এনিয়ে জলপাইগুড়ি সদরের এসডিও বলেন, আগের তুলনায় পরিস্থিতি কিছুটা বদলেছে। তবে পুরোপুরি বদলায়নি। বাজারে যাতে থার্মোকলের একটিও বাক্স পড়ে না থাকে, তা সংশ্লিষ্ট মাছ বাজার কমিটি ও পুরসভাকে দেখতে বলা হয়েছে। ২৬ জুন জলপাইগুড়ি সদর মহকুমা শাসকের কার্যালয়ে শহরের বিভিন্ন বাজার কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি পুরসভা ও রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে বৈঠক হয়। সেখানে জলপাইগুড়ি শহরের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া করলা নদীর দূষণ নিয়ে কথা ওঠে। তার পরিপ্রেক্ষিতে মহকুমা শাসক নির্দেশ দেন, কোনওভাবেই যাতে করলা নদীতে মাছের থার্মোকলের বাক্স না ফেলা হয়, সেদিকে নজর রাখতে হবে মাছবাজার কমিটিকে। কিন্তু এদিন মহকুমা শাসকের নজরে আসে, নদীতে থার্মোকলের বাক্স ফেলার প্রবণতা কিছুটা কমলেও বাজারের ভিতরের ছবিটা এখনও মোটেই ভালো নয়। নিজস্ব চিত্র



