নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: হয় বিক্রি, অন্যথায় সংযুক্তিকরণ। ইন্দিরা গান্ধী করেছিলেন ব্যাংকিং ব্যবস্থার জাতীয়করণ। ভারত পেয়েছিল একের পর এক সরকারি ব্যাংক। ফিরেছিল দেশবাসীর বিশ্বাস। লালবাতি জ্বলে সর্বস্বান্ত করার প্রবণতা বন্ধ হয়েছিল সাতের দশক থেকে। কিন্তু ২০১৪ সালে মোদি সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার পর থেকে সিদ্ধান্ত নেয় ব্যাংকগুলিকে হয় বিক্রি করা হবে, অথবা সংযুক্ত করা হবে। দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য সরকারি ব্যাংকের অস্তিত্ব রাখা হবে না। সেই সিদ্ধান্ত মেনেই ২০১৭ সাল থেকে শুরু হয় সংযুক্তিকরণ। ২৭টি ব্যাংককে সংযুক্ত করে ১২টি ব্যাঙ্কে পরিণত করা হয়। এবার ব্যাংকিং সংস্কারের দ্বিতীয় ধাপ। সরকারের প্রাথমিক ভাবনা হল, মাত্র ৩টি বৃহৎ ব্যাংকই থাকবে। বাকি সব ব্যাংককে এই তিন ব্যাংকে মিশিয়ে দেওয়া হবে। অর্থাৎ, ৯টি ব্যাংকের পৃথক অস্তিত্ব থাকবে না। শুধুমাত্র স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া, পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংক এবং কানাড়া ব্যাংক থাকবে। বাকি ৯টি ব্যাংককে এই বৃহৎ ব্যাংকগুলির সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে। অর্থমন্ত্রক এবং নীতি আয়োগ এই নিয়ে আলোচনা করছে। রিজার্ভ ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। তৈরি করা হচ্ছে প্রোপোজাল রিপোর্ট। প্রত্যেকটি ব্যাংকের থাকে নিজস্ব অনুৎপাদী সম্পদ। সেই সম্পদ খাতায় কলমে ব্যাংকের হিসেবকে লোকসানজনক হিসেবে তুলে ধরে। ব্যাংকগুলিকে যদি সংযুক্ত করা হয়, তাহলে এই অনুৎপাদী সম্পদ কেন্দ্রীয়ভাবে মাত্র তিনটি ব্যাংকের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে।



