সদ্য মুক্তি পেয়েছে ‘হাঙ্গামা ডট কম’। ছবিতে মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। হাতে রয়েছে আরও বেশ কিছু ছবি। সেসব নিয়েই আড্ডা দিলেন নায়িকা।
সদ্য মুক্তি পেয়েছে ‘হাঙ্গামা ডট কম’। ছবিতে মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। হাতে রয়েছে আরও বেশ কিছু ছবি। সেসব নিয়েই আড্ডা দিলেন নায়িকা।
এই ছবি আসলে কেমন ধরনের হাঙ্গামা?
সারা ছবি জুড়ে ঘটি- বাঙালের ঝগড়া। খুবই মজার হাঙ্গামা। আমার চরিত্র পূজা মধ্যবিত্ত রক্ষণশীল পরিবারের মেয়ে। বাবা-মায়ের স্নেহে, শাসনে বড় হয়েছে। সে কীভাবে বাঙাল-ঘটির ঝামেলায় জড়িয়ে পড়ছে, সেটাই ছবির অন্যতম বিষয়।
আপনি তো স্বঘোষিত ইস্টবেঙ্গল সমর্থক?
তা ঠিক। কিন্তু আমার কাছে ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান দুটো দলই সমান। কারণ দুটোই বাংলার দল। যদিও ডার্বিতে আমি ঘোরতর বাঙাল। অন্য সময় আমি কিন্তু মোহনবাগানের জন্যও গলা ফাটাই। তবে ইলিশ না চিংড়ি জিজ্ঞাসা করলে আমি কিন্তু ইলিশেরই পক্ষে।
একটা সময়ে বাংলা কমেডি ছবির বিপুল বক্স অফিস ছিল, সেই সুসময়টা ফিরে আসছে না কেন?
সেই কারণেই তো এমন ছবি তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যেকোনও কমিক চরিত্রে অভিনয় করা কিন্তু খুব শক্ত। তবুও তেমন চিত্রনাট্যের জন্য আমরা অপেক্ষা করি।
বাংলাতে এখন প্রচুর নারী কেন্দ্রিক ছবিও হচ্ছে, চেনা ছকের বদল বলবেন?
অবশ্যই। মেয়েরাও পারে, এই বোধটা সমাজের সর্বস্তর এখন উপলব্ধি করছে। তার প্রতিফলন চিত্রনাট্যেও পড়ছে। দর্শকদের কথা ভেবেই পড়ছে। আমার মনে হয় যে কষ্টটা একজন নায়ক করছেন, তার বেশি স্ট্রাগল আমরা মেয়েরা করছি। আমরাও পারি, এটা পরিচালক, প্রযোজকদের আস্থা তৈরি করছে।
এরপর আসছে আপনার ‘দেবী চৌধুরানি’। সেই ছবি ব্যক্তি হিসেবে কতটা বদলে দিল?
আমার ভাগ্য খুব ভালো যে, আমাকে ‘দেবী চৌধুরানি’র চরিত্রে ভাবা হয়েছে। অভিনয় করতে করতে কত কী যে শিখেছি, জেনেছি, বুঝেছি— একবাক্যে বলতে পারব না। আত্মবিশ্বাস বেড়েছে। রুখে দাঁড়াতে আর ভয় পাই না।
ব্যক্তি জীবনে এত ভাঙা গড়া, বিতর্ক, হাঙ্গামা সামলান কীভাবে ?
আমি কোনও কিছুকেই পাত্তা দিই না। ইগনোর করি। কাজ হচ্ছে সমস্ত কিছুকে উপেক্ষা করার সেরা হাতিয়ার। আমার ব্যক্তিগত কোনও সিদ্ধান্ত, পারিবারিক অস্থিরতা, একান্ত ব্যক্তিগত কোনও মুহূর্তের চুলচেরা বিশ্লেষণ, সমালোচনা, ট্রোলিং-এ তাই আমার কিচ্ছু এসে যায় না। আমার জীবনে কোনও হাঙ্গামা নেই।
প্রিয়ব্রত দত্ত