Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

রাজ্যে টেট অনুত্তীর্ণ শিক্ষকের হিসাব কাল দেওয়ার সম্ভাবনা কম

রাজ্যে টেট অনুত্তীর্ণ শিক্ষক কতজন রয়েছেন, তার হিসেব আগামীকাল শুক্রবারের মধ্যে চেয়ে পাঠিয়েছে শিক্ষামন্ত্রক। তবে, সেই তথ্য নির্দিষ্ট ফরম্যাটে যথাসময়ে জমা দেওয়া সম্ভব নয় বলেই মনে করছেন বিকাশ ভবনের কর্তারা।

রাজ্যে টেট অনুত্তীর্ণ শিক্ষকের হিসাব কাল দেওয়ার সম্ভাবনা কম
  • ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যে টেট অনুত্তীর্ণ শিক্ষক কতজন রয়েছেন, তার হিসেব আগামীকাল শুক্রবারের মধ্যে চেয়ে পাঠিয়েছে শিক্ষামন্ত্রক। তবে, সেই তথ্য নির্দিষ্ট ফরম্যাটে যথাসময়ে জমা দেওয়া সম্ভব নয় বলেই মনে করছেন বিকাশ ভবনের কর্তারা। তাই এর জন্য বাড়তি সময় চাওয়া হতে পারে বলেও শোনা যাচ্ছে। প্রসঙ্গত, ১ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্ট অর্ডার দিয়েছে, প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষকদের কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া টেট উত্তীর্ণ হওয়া আবশ্যিক। সেই নির্দেশের প্রেক্ষিতে গত ৮ জানুয়ারি রাজ্যগুলির কাছে এই হিসেব এবং এর মোকাবিলা করার পন্থা জানতে চেয়েছে কেন্দ্র।

Advertisement

এদিন শিক্ষাদপ্তরের এক কর্তা বলেন, যে বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে, সেটি আমাদের কাছে তৈরি তো নেইই, অন্যকোনো রাজ্যের কাছে আছে বলেও মনে হয় না। তবে, বৃহস্পতিবারের মধ্যে কতদূর কী তথ্য সংগ্রহ করা যায় দেখি। তারপরে বাড়তি সময় চাওয়ার প্রসঙ্গ আসবে। প্রসঙ্গত, ২০১১ সালকে মাপকাঠি ধরে তার আগে এবং পরে নিযুক্ত শিক্ষকদের টেট আছে কি না, যাঁদের নেই, তাঁরা কতবছর চাকরি করছেন, প্রভৃতি তথ্য বিস্তারিত ফর্ম্যাটে চেয়ে পাঠিয়েছে কেন্দ্র। সেই তথ্যই জোগাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে দপ্তরকে। প্রসঙ্গত, আগেই প্রাথমিক স্তরে কতজন এমন শিক্ষক রয়েছেন, তার হিসেব প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ দিয়েছে। তাতে ৬৫ থেকে ৭০ হাজার শিক্ষকের হিসেব রয়েছে বলে সূত্রের খবর। তবে, সমস্যা উচ্চ প্রাথমিক স্তর নিয়ে। ২০১৬ সালের আগে নিয়োগ হত নরমাল সেকশন হিসেবে। এসএসসি’র একটি পরীক্ষার মাধ্যমেই পঞ্চম থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ হত। সেটি টেট নয়। শুধু তাই নয়, নরমাল সেকশনের কোন শিক্ষক অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াবেন, আর কোনো শিক্ষক দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াবেন, তাও আলাদা করা দুঃসাধ্য। এই কাজে হাঁটতে গিয়ে শিক্ষকদের কাছ থেকে ব্যাপক বাধার সম্মুখীন হয়ে পিছু হটতে হয় সরকারকে। ফলে, উচ্চ প্রাথমিক স্তরের সেই হিসেব বের করাই চ্যালেঞ্জ সরকারের কাছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ