Bartaman Logo
৯ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

২০০২ এসআরের সঙ্গে চলতি এসআইআরের ফারাক বিস্তর, রিপোর্ট ওয়েস্ট বেঙ্গল ইলেকশন ওয়াচের

২০০২-এ কিছু রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন (এসআর) যে প্রক্রিয়ায় হয়েছিল তার সঙ্গে চলতি এসআইআরের পার্থক্য গুরুত্বপূর্ণ।

২০০২ এসআরের সঙ্গে চলতি  এসআইআরের ফারাক বিস্তর, রিপোর্ট ওয়েস্ট বেঙ্গল ইলেকশন ওয়াচের
  • ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ২০০২-এ কিছু রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন (এসআর) যে প্রক্রিয়ায় হয়েছিল তার সঙ্গে চলতি এসআইআরের পার্থক্য গুরুত্বপূর্ণ। ওয়েস্ট বেঙ্গল ইলেকশন ওয়াচ এই ব্যাপারে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। গুজরাতের এক ব্যক্তি আরটিআই করে কিছু জবাব পেয়েছেন। রিপোর্টটি তার ভিত্তিতেই তৈরি। তাতে বলা হয়েছে, প্রক্রিয়াগত ছাড়াও একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য আছে দুটির মধ্যে। তা হল সময়ের। এসআর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল ২০০১-এর ১৩ আগস্ট। ওই প্রক্রিয়া শেষ হয় পাঁচমাসেরও বেশি পরে, ২০০২-এর জানুয়ারিতে। সেবার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয় ৩১ জানুয়ারি। সেই তুলনায় এবার সময় দেওয়া হয়েছে খুবই কম। এসআইআরের প্রাথমিক কাজ অক্টোবরের শেষে শুরু হলেও, মূল কাজ বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ আরম্ভ হয় ৪ নভেম্বর। পরে সময়সীমা কিছুটা বাড়লেও চূড়ান্ত ভোটার তালিকা এবার প্রকাশিত হবে ১৪ ফেব্রুয়ারি। ফলে সব মিলিয়ে এবার আড়াই মাসেরও কম সময়ে শেষ হবে এসআইআর।

Advertisement

এসআইআর প্রক্রিয়ায় ২০০২-এর এসআরের গুরুত্বপূর্ণ যোগ রয়েছে। নির্দিষ্ট ফর্মে ভোটারদের জানাতে হচ্ছে, ২০০২-এর ভোটার তালিকায় তাঁর নিজের অথবা বাবা-মা, ঠাকুর্দা-ঠাকুমার নাম ছিল কি না। ২০০২ সালে কিন্তু তার পূর্ববর্তী কোনও বিশেষ সংশোধনের তথ্য দিতে হয়নি। সেবার ভোটারদের কোনও ফর্ম ভরেও জমা করতে হয়নি। গণনাকারীরাই বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়েছিলেন। 
এবার কিছু ক্ষেত্রে নাগরিকত্ব প্রমাণের তথ্য দিতে হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ভোটারদের ঩নোটিশ করা হবে এবং তাঁদের হাজির হতে হবে শুনানিতে। ২০০২ সালে এই ঝক্কি ছিল না। শুধু ভোটার তালিকায় নাম তুলতেই ব্যাঙ্ক, ডাকঘর, এলপিজি, টেলিফোন প্রভৃতির নথি দিলেই কাজ মিটে যেত। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, মূলত নির্দিষ্ট কয়েকটি কিছু প্রয়োজনেই ২০০২-এ এসআর করা হয়েছিল। যেমন মৃত ভোটারে নাম বাদ দেওয়া, স্থানান্তরিত ভোটারের নাম সংশ্লিষ্ট জায়গায় পাঠানো, নতুন ভোটারকে চিহ্নিত করে তাঁর নাম সংযোজন, এপিক থাকা সত্ত্বেও যাঁরা ভোটার লিস্টের বাইরে রয়ে গিয়েছেন তাঁদের নাম তোলা প্রভৃতি। একই পরিবারের সদস্যদের একটিমাত্র বুথে তুলে আনাও ছিল ওই প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্য। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ