নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের সরকারি আর্থিক সাহায্যপ্রাপ্ত মাদ্রাসাগুলিতে শিক্ষক ও অশিক্ষকের কত শূন্যপদ আছে, তা জানতে চেয়েছিল মাদ্রাসা দপ্তর। মাদ্রাসা শিক্ষা ডিরেক্টরেট থেকে মাদ্রাসাগুলিকে চিঠি পাঠিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শূন্যপদের সংখ্যা জানাতে বলা হয়েছিল। প্রধান শিক্ষকের পদ কত খালি আছে, তা জানানোর জন্য সময় দেওয়া হয়েছিল ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যম্ত। শিক্ষক ও অশিক্ষক পদের কতগুলি খালি আছে, তা যথাক্রমে ৫ মার্চ ও ১০ মার্চের মধ্যে জানাতে বলা হয়েছিল। সূত্রের খবর, নির্ধারিত সময়সীমা পেরনোর পর যে রিপোর্ট মাদ্রাসাগুলি থেকে এসেছে, তাতে শিক্ষক ও অশিক্ষকের মোট শূন্যপদ ১৪ হাজারের কাছাকাছি হবে বলে মনে করা হচ্ছে। শূন্যপদগুলিতে নিয়োগের জন্য সরকারি তরফে তৎপরতা শুরু হয়েছে বলে খবর। মাদ্রাসা ও সংখ্যালঘু উন্নয়ন দপ্তরের এক শীর্ষকর্তা জানিয়েছেন, নিয়োগ প্রক্রিয়া অ্যবাহত আছে। বেশ কয়েক বছর পর মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন শিক্ষক নিয়োগের জন্য পরীক্ষা নিয়েছিল সম্প্রতি। লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর এখন চলছে পরবর্তী প্রক্রিয়াগুলি। এই দফায় দেড় হাজারের বেশি শিক্ষক নিয়োগ করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছিল। ডিরেক্টরেট থেকে পাঠানো চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছিল, শূন্যপদের সংখ্যা জানানোর ব্যাপারে কিছু মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের অনিচ্ছা রয়েছে। অবসর গ্রহণ, বদলি, মৃত্যু, চাকরি ছেড়ে দেওয়া প্রভৃতি কারণে অনেক পদ শূন্য হচ্ছে। কিন্ত সেই তথ্য প্রতিষ্ঠানগুলি ঠিকমতো জানাচ্ছে না। তাই মাদ্রাসা দপ্তর এবার তারিখ নির্দিষ্ট করে চিঠি পাঠিয়েছে বলে খবর।



