


নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: রাজ্যে ডিমের উৎপাদন বাড়াতে ১০ লক্ষ ৭০ হাজার মানুষকে হাঁস ও মুরগির ছানা দেবে রাজ্য সরকার। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর বাইরে ব্যক্তিগত উদ্যোগকে প্রসারিত করতেই এই পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে রাজ্য প্রাণিসম্পদ দপ্তর। বয়স ২৮ দিন, এমন হাঁস ও মুরগির ছানা বিলির কাজ দ্রুত শুরু করতে জেলাগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে রাজ্যে ডিমের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে ১৮.০৭ শতাংশ। দেশের গড়বৃদ্ধির তুলনায় যা অনেকটাই বেশি। কেন্দ্রীয় সরকারি রিপোর্ট অনুযায়ী, সারা দেশে ডিমের উৎপাদনের গড় বৃদ্ধির হার ৩.১৮ শতাংশ। নতুন অর্থবর্ষে এই সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি গড় উৎপাদনও বাড়াতে চাইছে রাজ্য সরকার।
সরকারি খতিয়ান অনুসারে রাজ্যে মোট ডিমের অর্ধেকের বেশি আসে গ্রামীণ এলাকায় ব্যক্তিগতভাবে মুরগি ও হাঁস প্রতিপালনের জায়গা থেকে। তাই ব্যক্তিগত স্তরে উৎপাদন বৃদ্ধির প্রয়াস শুরু করা হয়েছে। হুগলি জেলা পরিষদের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ কর্মাধ্যক্ষ নির্মাল্য চক্রবর্তী বলেন, ‘সরকারের নির্দেশিকা আমরা পেয়েছি। খুবই গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। জেলাস্তরে ওই প্রকল্প রূপায়ণের তৎপরতা শুরু হয়েছে। হুগলি জেলায় প্রায় ৫৫ হাজার মানুষ ওই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।’
হাঁসের তুলনায় মুরগির ছানা বেশি দেওয়া হবে এবং বেশি সংখ্যক মানুষকে দেওয়া হবে বলেও জানা গিয়েছে। রাজ্য সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, কলকাতা বাদে ২৩টি জেলায় ৯ লক্ষ ৩৫ হাজার মানুষের জন্য ৯৩ লক্ষ ৫০ হাজার মুরগির ছানা বরাদ্দ হয়েছে। সেই সঙ্গে রাজ্যের ১ লক্ষ ৩৫ হাজার উপভোক্তার জন্য ১৩ লক্ষ ৫০ হাজার হাঁসের ছানা বিলি করা হবে। রাজ্যের ৩৪৪টি ব্লকের মানুষকে এই প্রকল্পের আওতায় আনা হচ্ছে।