Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

এ মাসেই ‘বাংলার বাড়ি’র দ্বিতীয় কিস্তির টাকা, পিছিয়ে থাকা উপভোক্তাদের নির্মাণ কাজে গতি আনার নির্দেশ প্রশাসনের

লিনটেল পর্যন্ত কাজ সম্পূর্ণ হলেই ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা মিলবে।

এ মাসেই ‘বাংলার বাড়ি’র দ্বিতীয় কিস্তির টাকা, পিছিয়ে থাকা উপভোক্তাদের নির্মাণ  কাজে গতি আনার নির্দেশ প্রশাসনের
  • ৭ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: লিনটেল পর্যন্ত কাজ সম্পূর্ণ হলেই ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা মিলবে। এবং এই টাকা মিলবে চলতি মাসেই। কিন্তু উপভোক্তাদের একটা বড় অংশই এখনও লিনটেল বা চলতি ভাষায় লিন্টন পর্যন্ত দেওয়াল তুলতে পারেননি। এই কাজে গতি বাড়াতে তাই সময়সীমা বেঁধে দিল সরকার। উত্তর ২৪ পরগনায় প্রায় ৮২ হাজার ২ জন উপভোক্তার মধ্যে ৪৭ হাজার ৫৭৮ জনের বাড়ি তৈরির কাজ লিনটেল অবধি হয়েছে। বাকি ৩৪ হাজার ৪২৪টি নির্মাণে কাজের গতি অত্যন্ত কম। এখানেই শেষ নয়, ১৫৭২ জন উপভোক্তা এখনও বাড়ি তৈরির কাজ শুরুই করতে পারেননি। ফলে, উপভোক্তাদের বড় অংশের দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পাওয়া আপাতত ‘অনিশ্চিত’ বলেই দপ্তর সূত্রে খবর। তাঁদের দ্রুত নির্মাণ কাজ করার জন্য নির্দেশিকা জারি হয়েছে।

Advertisement

কেন্দ্রের বঞ্চনা সত্ত্বেও অসহায় মানুষকে বাড়ি তৈরি করতে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা করে দিচ্ছে রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যেই উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় ৮২ হাজার ২ জন উপভোক্তা প্রথম কিস্তির ৬০ টাকা পেয়ে গিয়েছেন। কিন্তু সরকারি ‘স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর’ অনুযায়ী লিনটেল পর্যন্ত কাজ হলে তবেই মিলবে দ্বিতীয় কিস্তির ৬০ হাজার টাকা। সেই মতো পঞ্চায়েত ধরে ধরে সার্ভে হয়েছে। সেই রিপোর্ট দেখে চিন্তা বেড়েছে জেলা প্রশাসনের। দপ্তর সূত্রে খবর, যে সমস্ত উপভোক্তা বাড়ি তৈরির কাজ এখনও শুরু করেননি, তাঁদের কড়া ভাষায় ধমক দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি তাদের কারণ দর্শাতেও বলা হচ্ছে লিখিতভাবে। যে সব বাড়ি তৈরির ক্ষেত্রে কাজের গতি শ্লথ, তাদের তাঁদের কাজে গতি আনার  পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এ নিয়ে উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসক শরদকুমার দ্বিবেদী বলেন, নিয়মিত পরিদর্শনের মাধ্যমে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সরকারি নির্দেশ মেনেই নির্মাণ কাজে গতি বাড়াতে বলা হয়েছে। চলতি মাসেই দ্বিতীয় দফার টাকা 
ছাড়া হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ