Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

দক্ষিণ ২৪ পরগনা স্বাস্থ্য জেলায় বাড়ছে কিশোরী গর্ভবতীর সংখ্যা, উদ্বিগ্ন প্রশাসন

গর্ভবতী কিশোরীর সংখ্যা সামান্য কমলেও উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা স্বাস্থ্য জেলা। ২০২৩-’২৪ সালে যেখানে ১৪ হাজার কিশোরী গর্ভবতী হয়েছিল, সেখানে গত অর্থ বছরে সেই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে সাড়ে ১২ হাজারে।

দক্ষিণ ২৪ পরগনা স্বাস্থ্য জেলায় বাড়ছে  কিশোরী গর্ভবতীর সংখ্যা, উদ্বিগ্ন প্রশাসন
  • ১০ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: গর্ভবতী কিশোরীর সংখ্যা সামান্য কমলেও উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা স্বাস্থ্য জেলা। ২০২৩-’২৪ সালে যেখানে ১৪ হাজার কিশোরী গর্ভবতী হয়েছিল, সেখানে গত অর্থ বছরে সেই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে সাড়ে ১২ হাজারে। এই পরিসংখ্যান যে স্বস্তি দিচ্ছে স্বাস্থ্য আধিকারিকদের, এমনটা নয়। এই সংখ্যা আরও কমানো দরকার বলেই অভিমত তাঁদের।

Advertisement

দক্ষিণ ২৪ পরগনা স্বাস্থ্য জেলার বেশ কয়েকটি ব্লকে বাল্যবিবাহ একটা বড়সড় সামাজিক সমস্যা। বিশেষ করে ক্যানিং মহকুমায় এই প্রবণতা সব থেকে বেশি। যেহেতু পরিণত বয়সের আগেই পরিবার মেয়েদের বিয়ে দিয়ে দিচ্ছে, তাই কিশোরী বয়সেই অনেকে মা হয়ে যাচ্ছে। নানাভাবে চেষ্টা করেও নাবালিকাদের বিয়ে আটকানো ও কিশোরী বয়সে মা হওয়ার প্রবণতা রোধ করা যাচ্ছে না। স্বাস্থ্য জেলার পর্যবেক্ষণ, প্রায় সব ব্লকেই অল্প বয়সে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করার ঝোঁক রয়েছে। পাশাপাশি অনেক পরিবার উপযুক্ত বয়সের আগেই মেয়েদের বিয়ে দিয়ে দিচ্ছে। তারা অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় হাসপাতাল কিংবা সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গেলে বিষয়টি জানা যাচ্ছে।
দক্ষিণ ২৪ পরগনা স্বাস্থ্য জেলার মুখ্য আধিকারিক ডাঃ মুক্তিসাধন মাইতি বলেন, নির্দিষ্ট বয়সের আগে গর্ভবতী হলে একাধিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। সদ্য বিয়ে করেছে এমন অনূর্ধ্ব আঠারোর দম্পতিদের বিষয়টি বোঝানো হচ্ছে। কাউন্সেলিং করাচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। পাশাপাশি চলছে নিয়মিত নজরদারি। এর ফলে অল্প হলেও কিশোরীদের গর্ভবতী হওয়ার সংখ্যায় রাশ টানা গিয়েছে। এই হার আরও কমাতে হবে।
পরিসংখ্যান থেকে জানা গিয়েছে, এই স্বাস্থ্য জেলায় ক্যানিং ২ নম্বর, বাসন্তীর পাশাপাশি জয়নগর ২ নম্বর ও কুলতলিতে ব্লকে কিশোরীদের গর্ভবতী হওয়ার হার অনেকটাই বেশি। এই সংখ্যা সব থেকে কম বজবজ ১ নম্বর ব্লকে। আগামী দিনে এই সংখ্যাকে আরও কমানোর লক্ষ্যে নানা সতর্কতামূলক ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি নেওয়া হবে বলে স্বাস্থ্য জেলা ঠিক করেছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ