শ্যামল পাল, বাগডোগরা: থাইল্যান্ডের ডিজনিল্যান্ড বিশেষ আকর্ষণ জনকল্যাণ সংঘের। সময়ের গুরুত্ব ফুটে উঠবে মায়াদেবী ক্লাবে। মাটিগাড়ার দু’টি পুজো মণ্ডপেরই ৮০ শতাংশ কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছে। বিগবাজেটের এই দুই পুজো এবারেও দর্শনার্থীদের মন জয় করবে বলে আশা উদ্যোক্তাদের।
মাটিগাড়া মায়াদেবী ক্লাবের পুজোর এবার ৭৮তম বর্ষ। সময়ের গুরুত্ব ও সময়ের সঙ্গে মানুষের জীবনের পরিস্থিতি তুলে ধরা হচ্ছে মণ্ডপসজ্জায়। নানা গ্রহ নক্ষত্র থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত থাকবে মণ্ডপে। প্রত্যেকটি মানুষের জীবনে প্রতিটি মিনিট ও প্রতি সেকেন্ডের গুরুত্ব কতটা, তা বোঝাতেই এই থিম বেছে নিয়েছেন উদ্যোক্তারা। পুজো কমিটির সম্পাদক শিবন বিশ্বাস বলেন, মাটিগাড়ায় আমাদের এই পুজো নিয়ে প্রতি বছর সবারই উৎসাহ ও উদ্দীপনা থাকে। এবছরও আমরা চমক দিতে চলেছি আমরা। কাগজ, প্লাই, ফাইবার সহ নানা উপকরণ দিয়ে তৈরি হচ্ছে পুজো মণ্ডপ।
পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি থেকে কারিগর ও শ্রমিকরা কাজ করতে এসেছেন। চোখ ধাঁধানো আলোকসজ্জা ও প্রতিমাতেও থাকছে চমক। জাতীয় সড়কের পাশে পুজো হওয়ায় পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি ক্লাবের ভলান্টিয়াররাও তৎপর থাকবেন পুজোর দিনগুলোতে।
অন্যদিকে কাওয়াখালি জনকল্যাণ সংঘের ৩১তম বর্ষে এবছর থাইল্যান্ডের ডিজনিল্যান্ড বিশেষ আকর্ষণ। ডিজনিল্যান্ডের নানা চরিত্র থাকবে পুজো মণ্ডপে।
এছাড়া অত্যাধুনিক আলোকসজ্জায় ফুটিয়ে তোলা হবে পুজো মণ্ডপ। প্রতিমাতেও বিশেষ চমক থাকছে। ক্লাবের সম্পাদক গোবিন্দ সরকার বলেন, মহকুমার গ্রামাঞ্চলের আমাদের এই পুজো ঘিরে ব্যাপক উদ্দীপনা থাকে। দর্শনার্থীদের চমক দিতে থাইল্যান্ডের ডিজনিল্যান্ড থিম বেছে নেওয়ার পাশাপাশি পুজোয় আলোকসজ্জার একটি প্রদর্শনীও করা হবে। এছাড়া পুজোর দিনগুলিতে দুই ক্লাবেই নানান সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সমাজ সেবামূলক কর্মসূচি করা হবে বলে জানিয়েছেন পুজো উদ্যোক্তারা। নিজস্ব চিত্র