Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / ব্যবসা

পোশাক রপ্তানি বৃদ্ধি করাই লক্ষ্য, বঙ্গের উদ্যোগপতিদের দরজায় কানাডা, মরিশাসের ক্রেতারাও

রপ্তানি বাড়াতে বিদেশি ক্রেতাদের ডেকে এনে বাংলার উদ্যোগপতিদের সঙ্গে যোগসূত্র তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে রাজ্য সরকার। সম্প্রতি জেলার ছোটো ও মাঝারি উদ্যোগপতিদের এমনই একটি অনুষ্ঠানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

পোশাক রপ্তানি বৃদ্ধি করাই লক্ষ্য, বঙ্গের উদ্যোগপতিদের দরজায়  কানাডা, মরিশাসের ক্রেতারাও
  • ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: রপ্তানি বাড়াতে বিদেশি ক্রেতাদের ডেকে এনে বাংলার উদ্যোগপতিদের সঙ্গে যোগসূত্র তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে রাজ্য সরকার। সম্প্রতি জেলার ছোটো ও মাঝারি উদ্যোগপতিদের এমনই একটি অনুষ্ঠানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এঁরা সকলে বস্ত্র ও পোশাক তৈরির সঙ্গে যুক্ত। কানাডা, মরিশাস, আফ্রিকা, কেনিয়া, কাজাখস্তান প্রভৃতি দেশ থেকে প্রতিনিধি এসেছিলেন। তাঁরা এখানে তৈরি কাপড়ের নমুনা, রেডিমেড জামা, জিন্স, ছোটোদের পোশাক প্রভৃতি দেখে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। অনেকের সঙ্গে প্রাথমিক কথাবার্তাও হয়েছে। আলোচনা হয়েছে সেই দেশে সামগ্রী পাঠানোর বিষয়েও। সাধারণত বিক্রেতাদের বিভিন্ন মেলা বা প্রদর্শনীতে নিজেদের সামগ্রী বিক্রির জন্য ক্রেতাদের কাছে যেতে হয়। কিন্তু ক্ষুদ্র, ছোটো, মাঝারি শিল্প দপ্তর উলটো প্রয়াস নিল। অর্থাৎ, ক্রেতারাই বিক্রেতাদের কাছে আসবেন। এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘রিভার্স বায়ার্স সেলার্স মিট’। এক আধিকারিক বলেন, দুই পক্ষকে এক জায়গায় মিলিয়ে দেওয়াই কাজ ছিল। এতদিন একটা দুটো দেশে হয়তো এখানকার উদ্যোগপতিরা তাঁদের পণ্য পাঠাতেন। কিন্তু এই নয়া উদ্যোগে অনেক দেশের সঙ্গে যোগসূত্র গড়ে তুলতে পারবেন উদ্যোগপতিরা। মহেশতলার শামীম বৈদ্য বলেন, আমার সুতির জামার কাপড় দেখে পছন্দ হয়েছে কানাডা ও বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের। তাঁরা এসব কেনার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন। এখন কাগজপত্র প্রস্তুত করার কাজ চলছে। ফিরোজা ওবাইদুল্লাহ বাবর নামে আরেক উদ্যোগপতির কথায়, কানাডা, মরিশাস, কাজাখস্তানের প্রতিনিধিরা আমাদের তৈরি লিনেন জামা, বাচ্চাদের পোশাক দেখে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তবে এখনও অর্ডার আসেনি। আমরা ওদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছি। জানা গিয়েছে, আগামী দিনে এই ধরনের রিভার্স বায়ার্স সেলার্স মিট আরও করার পরিকল্পনা রয়েছে দপ্তরের। একবার বিদেশি ক্রেতাদের হাতে এখানকার পণ্য পৌঁছে গেলে তখন চাহিদা বাড়তে পারে। জেলার উদ্যোগপতিদের জন্য খুলে যেতে পারে রপ্তানির বৃহৎ বাজার। আমেরিকার শুল্ক নীতির অস্থিরতায় এখন বিকল্প দেশের দিকে তাকিয়ে অনেকেই। সেরকমই অন্যান্য দেশ এগিয়ে এলে এখানকার ছোটো ও মাঝারি উদ্যোগপতিদের অনেকটাই সুবিধে হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ