সংবাদদাতা, বারুইপুর: জয়নগরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় খুন হয়েছিলেন ইটভাটার মালিক এক তৃণমূল কর্মী জয়ন্ত মণ্ডল। সে ঘটনায় যুক্ত কাউকে এখনও ধরতে পারেনি পুলিশ। খুনের ঘটনার রাজনৈতিক রংও লেগেছে। মৃতের ভাই সুব্রত মণ্ডল বলেন, ‘পরিকল্পনা করেই দাদাকে খুন করা হয়েছে। দাদার সঙ্গে অংশীদারদের ঝামেলা ছিল। দাদা সক্রিয়ভাবে তৃণমূল করত। সে কারণে এলাকায় বিরোধীরা লাগাতার কটূক্তি করত। কী কারণে খুন হয়েছেন তা পুলিশ দ্রুত খুঁজে বের করুক।’ বারুইপুর পুলিশ জেলার এক আধিকারিক বলেন, জোরদার তল্লাশি চলছে। দ্রুত ধরা পড়বে অভিযুক্তরা।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, ইটভাটার অংশীদারদের সঙ্গে অনেক দিনের গণ্ডগোলের জেরে খুন হন জয়ন্ত। কয়েকজনের মালিকানা ছিল ওই ইটভাটার। দু’বছর ধরে নিজেদের মধ্যে ঝামেলা চলছিল। ভাটার শ্রমিকদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জয়ন্তর বাকি অংশীদারদের খোঁজ চালানো হচ্ছে। ভাটার অংশীদারিত্ব না রাজনৈতিক কারণে খুন তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জয়ন্তবাবু তৃণমূলকর্মী বলে ব্যাপক পরিচিত ছিল এলাকায়। প্রসঙ্গত গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাইক চালিয়ে বাড়ি ফেরার পথে ইটভাটার মালিক জয়ন্ত মণ্ডলকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয়। সেই ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি জয়নগর থানা।