Bartaman Logo
২৬ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

নিজের নির্দেশিকা অমান্য করেই অস্থায়ী শিক্ষকদের ভোটের ডিউটি কমিশনের

কোনো চুক্তিভিত্তিক কর্মীকে ভোটের ডিউটি দেওয়া যাবে না। নির্বাচন কমিশন নিজের নির্দেশিকা অমান্য করে স্ববিরোধী অবস্থান নিল।

নিজের নির্দেশিকা অমান্য করেই অস্থায়ী শিক্ষকদের ভোটের ডিউটি কমিশনের
  • ২৬ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কোনো চুক্তিভিত্তিক কর্মীকে ভোটের ডিউটি দেওয়া যাবে না। নির্বাচন কমিশন নিজের নির্দেশিকা অমান্য করে স্ববিরোধী অবস্থান নিল। স্কুলের পার্শ্বশিক্ষক থেকে শুরু করে কলেজের স্যাক্টদের (স্টেট এডেড কলেজ টিচার্স) ঢালাও ডিউটি দিয়েছে কমিশন। যা নিয়ে এ ধরনের চুক্তিভিত্তিক শিক্ষকদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। স্যাক্ট সংগঠন কুটাবের তরফে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। একই পথে হাঁটছে পার্শ্বশিক্ষক সংগঠনগুলিও।

Advertisement

কুটাবের অন্যতম শীর্ষ নেত্রী সুচন্দ্রা চৌধুরী জানান, সেকেন্ড পোলিং অফিসার হিসাবে তাঁর ডিউটির জন্য প্রশিক্ষণের চিঠি এসেছে। একই ধরনের চিঠি পেয়েছেন বহু স্যাক্ট। তাঁর বক্তব্য, ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচনের আগে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্যের স্পষ্ট নির্দেশ ছিল, পরবর্তী কোনো নির্বাচনে স্যাক্টদের ভোটে নিযুক্ত করা যাবে না। তা সত্ত্বেও এবার একই পথে হেঁটেছে কমিশন। পার্শ্বশিক্ষক এবং স্যাক্টদের দাবি, স্থায়ী শিক্ষকদের মতো আর্থিক সুযোগ-সুবিধা, অবসরকালীন পেনশন, ছুটি পাওয়ার স্বাধীনতা কিছুই নেই তাঁদের। তা সত্ত্বেও এই ঝুঁকির ডিউটি চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে তাঁদের উপরে। এদিকে, কলেজে পরীক্ষাও শুরু হচ্ছে। সেখানেও স্যাক্ট ছাড়া বহু কলেজ অচল। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২-১৪টি কলেজ কেন্দ্রীয় বাহিনীর হাতে যাওয়ার জন্য সেখানে বরাদ্দ হওয়া পরীক্ষার্থীর সংখ্যা অর্ধেক করে দিতে হচ্ছে। পার্শ্ববর্তী কলেজগুলিতে তাঁদের পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়কে। ফলে, ভোটের জন্য শিক্ষাব্যবস্থা বড়োসড়ো সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। অন্যদিকে, স্কুলগুলিকে ভোটের জন্য সিসিটিভি বসানোর নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষাদপ্তর। হঠাৎ এই নির্দেশিকা ঘিরে বিপাকে পড়েছে স্কুলগুলি। এত তাড়াতাড়ি কীভাবে অর্থের সংস্থান হবে, সেই প্রশ্ন তুলে সরব হয়েছে বহু স্কুল।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ