নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: পহেলগাঁও পরিস্থিতিতে পাকিস্তান-পাঞ্জাব সীমান্তের যাবতীয় গম কাটা শেষ। পাকিস্তান সীমান্তে পাঞ্জাবের ৫৩০ কিলোমিটারজুড়ে প্রায় ৪৫ হাজার একর জমিতে গমের চাষ হয়। শীতকালীন মরশুমের সেই ফসল কাটার কাজ শেষ। এবার সংগ্রহের পালা। শুধু পাঞ্জাব নয়, এবার হরিয়ানা, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান এবং উত্তরপ্রদেশেও গমের চাষ বেশি হয়েছে। সেইমতো সরকারি সংগ্রহও বেশি করা হবে। যদিও এবার কেন্দ্রীয়স্তরে যে পরিমাণ গম সংগ্রহ করা হবে বলে টার্গেট নেওয়া হয়েছে, তা এখনও সম্পূর্ণ হয়নি।
২০২৫-২৬ রবি মরসুমে মোদি সরকারের টার্গেট ৩১২ লক্ষ মেট্রিক টন। তার মধ্যে এখনও পর্যন্ত ২৫৬.৩১ লক্ষ মেট্রিক টন গম সংগ্রহ করা হয়েছে। এবারে গম সংগ্রহের পরিমাণ গতবারের তুলনায় ৫০ লক্ষ টন বেশি। ফলে বাজারে গমের জোগানে কোনও সমস্যা হবে না। একইসঙ্গে কোনও কোনও রাজ্যে গণবণ্টন ব্যবস্থায় ‘প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনা’য় কম গম দেওয়া হলেও এবার তা বাড়ানো হবে বলে খবর। গতবার এই সময়ের তুলনায় গম সংগ্রহ বাড়ায় কৃষকরাও উপকৃত হচ্ছে বলে দাবি কেন্দ্রের। জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ২১ লক্ষ কৃষকের থেকে ২৫৬ লক্ষ মেট্রিক টন গম সংগ্রহ হয়েছে। ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বাবদ কেন্দ্রীয় কোষাগার থেকে খরচ হয়েছে ৬২ হাজার ১৫৫ কোটি।
অন্যদিকে, চিনির রপ্তানি এবার কম করা হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গতবার ১০ লক্ষ টন চিন রপ্তানি করা হলেও এবার ৮ লক্ষ টন হবে বলে ঠিক হয়েছে। খাদ্যমন্ত্রক সূত্রে খবর, ঘরোয়া বাজারে চিনির জোগান বাড়াতেই এই সিদ্ধান্ত। এবার চিনির উৎপাদন ২৬ লক্ষ টন হবে বলেই মত বিশেষজ্ঞদের। তার মধ্যে থেকে আখ থেকে তৈরি খণ্ডসারিতে জোর দেওয়া হবে। যেসব চিনিকল প্রতিদিন ৫০০ টনের বেশি আখ থেকে চিনি বা খণ্ডসারি তৈরি করে, তাদের বিস্তারিত তথ্য এবার থেকে নথিভূক্ত করবে কেন্দ্র। -ফাইল চিত্র