নয়াদিল্লি: ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে দক্ষিণ চীন সাগর, চোখ রাঙাচ্ছে লালফৌজ। ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের কৃত্রিম দ্বীপেও সামরিক ঘাঁটি তৈরি করছে বেজিং। ফলে বিপন্ন ‘ওপেন ট্রেড রুট’ বা মুক্ত বাণিজ্যপথ। পাশাপাশি গত কয়েকমাস ধরে তাইওয়ান সীমান্তেও একাধিকবার অনুপ্রবেশ ঘটিয়েছে চীনা যুদ্ধবিমান ও রণতরী। যা নিয়ে আমেরিকা ও চীনের মধ্যে সংঘাত আরও তীব্র হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে চীনকে রুখতে শক্তিশালী জোট ‘স্কোয়াড’ তৈরি করেছে আমেরিকা। এই জোটে আমেরিকার সঙ্গে রয়েছে জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও ফিলিপিন্স। কিন্তু রাখা হয়নি ভারতকে। বাইডেন জমানায় এই জোটে ‘ব্রাত্য’ ছিল নয়াদিল্লি। কারণ, চীনা আগ্রাসনে নয়াদিল্লির উদ্বেগ থাকলেও তা কখনই ওয়াশিংটনের ব্লক রাজনীতির হাতিয়ার হয়ে উঠুক, এমনটা চায় না সাউথ ব্লক। ভারতের বিদেশনীতি বা ভূ-রাজনীতির নিজস্ব মাপকাঠি রয়েছে। সেই টানাপড়েনের জেরেই স্কোয়াডে ভারতকে জায়গা দেননি বাইডেন। হোয়াইট হাউসে পালাবদল হতেই অভিমুখ পালটেছে মার্কিন বিদেশনীতির। বেজিংয়ের ‘দাদাগিরি’ রুখতে দিল্লিই যে ভরসা তা আবারও স্পষ্ট করে ‘স্কোয়াড’ জোটে ভারতকে আমন্ত্রণ জানাতে চলেছে ট্রাম্প প্রশাসন।



