Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

‘ড্রাগন বধে’ নয়াদিল্লিই ভরসা আমেরিকার প্রেসিডেন্টের!

ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে দক্ষিণ চীন সাগর, চোখ রাঙাচ্ছে লালফৌজ। ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের কৃত্রিম দ্বীপেও সামরিক ঘাঁটি তৈরি করছে বেজিং।

‘ড্রাগন বধে’ নয়াদিল্লিই ভরসা আমেরিকার প্রেসিডেন্টের!
  • ২৩ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে দক্ষিণ চীন সাগর, চোখ রাঙাচ্ছে লালফৌজ। ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের কৃত্রিম দ্বীপেও সামরিক ঘাঁটি তৈরি করছে বেজিং। ফলে বিপন্ন ‘ওপেন ট্রেড রুট’ বা মুক্ত বাণিজ্যপথ। পাশাপাশি গত কয়েকমাস ধরে তাইওয়ান সীমান্তেও একাধিকবার অনুপ্রবেশ ঘটিয়েছে চীনা যুদ্ধবিমান ও রণতরী। যা নিয়ে আমেরিকা ও চীনের মধ্যে সংঘাত আরও তীব্র হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে চীনকে রুখতে শক্তিশালী জোট ‘স্কোয়াড’ তৈরি করেছে আমেরিকা। এই জোটে আমেরিকার সঙ্গে রয়েছে জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও ফিলিপিন্স। কিন্তু রাখা হয়নি ভারতকে। বাইডেন জমানায় এই জোটে ‘ব্রাত্য’ ছিল নয়াদিল্লি। কারণ, চীনা আগ্রাসনে নয়াদিল্লির উদ্বেগ থাকলেও তা কখনই ওয়াশিংটনের ব্লক রাজনীতির হাতিয়ার হয়ে উঠুক, এমনটা চায় না সাউথ ব্লক। ভারতের বিদেশনীতি বা ভূ-রাজনীতির নিজস্ব মাপকাঠি রয়েছে। সেই টানাপড়েনের জেরেই স্কোয়াডে ভারতকে জায়গা দেননি বাইডেন। হোয়াইট হাউসে পালাবদল হতেই অভিমুখ পালটেছে মার্কিন বিদেশনীতির। বেজিংয়ের ‘দাদাগিরি’ রুখতে দিল্লিই যে ভরসা তা আবারও স্পষ্ট করে ‘স্কোয়াড’ জোটে ভারতকে আমন্ত্রণ জানাতে চলেছে ট্রাম্প প্রশাসন। 

Advertisement

সমরসূত্র মেনে এই সামরিক জোটে অন্তর্ভুক্ত করা হবে দক্ষিণ কোরিয়াকেও। ট্রাম্প বিলক্ষণ জানেন, এশিয়া মহাদেশে এই মুহূর্তে সামরিক মহড়ায় চীনকে টেক্কা দেওয়ার মতো শক্তি ভারতেরই রয়েছে। শুল্কযুদ্ধ, অভিবাসন নীতি-সহ একাধিক ইস্যুতে দিল্লি-ওয়াশিংটনের মধ্যে চাপানউতোর চললেও, লাল ফৌজের আগ্রাসন রুখতে এক জোট দু’দেশ। এই পরিস্থিতে জানা গেল, এবার স্কোয়াডে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হবে ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়াকে। চলছে এমনই পরিকল্পনা। এনিয়ে ফিলিপিন্সের সেনাপ্রধান জেনারেল রোমিও এস ব্রাওনার জানিয়েছেন, জাপান এবং অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে আমরা স্কোয়াড জোটের সম্প্রসারণ করতে চাইছি। এর জন্য ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়াকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। ব্রাওনার আরও বলেন, আমরা ভারতের সঙ্গে হাত মেলাতে চাই কারণ আমাদের শত্রু একজনই। আমার বলতে কোনও বাধা নেই যে চীন আমাদের শত্রু। উল্লেখ্য,  চীনের সম্প্রসারণবাদী নীতিতে লাগাম টানতে  আগেই  ‘কোয়াড’ গড়েছে আমেরিকা।  ওই চতুঃশক্তি সামরিক জোটে আমেরিকার সঙ্গে রয়েছে ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও জাপান।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ