Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

এসআইআরে নিযুক্ত শিক্ষকরা পরীক্ষার ডিউটিতে, নির্বিঘ্নেই মিটল প্রথম দিনের মাধ্যমিক

এসআইআরে ব্যস্ত শিক্ষকদের মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাওয়া নিয়ে আশঙ্কা ছিল। তবে, পরীক্ষার ডিউটিতে সময়মতোই যোগ দিয়েছেন সমস্ত শিক্ষকই।

এসআইআরে নিযুক্ত শিক্ষকরা পরীক্ষার ডিউটিতে, নির্বিঘ্নেই মিটল প্রথম দিনের মাধ্যমিক
  • ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এসআইআরে ব্যস্ত শিক্ষকদের মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাওয়া নিয়ে আশঙ্কা ছিল। তবে, পরীক্ষার ডিউটিতে সময়মতোই যোগ দিয়েছেন সমস্ত শিক্ষকই। ফলে সোমবার, প্রথমদিনের পরীক্ষার মিটল নির্বিঘ্নে। প্রশ্নপত্র নিয়েই ছাত্রছাত্রীদের বেশ সন্তুষ্টই দেখা গিয়েছে। এদিন মধ্যশিক্ষা পর্ষদের এক শীর্ষকর্তা বলেন, সমস্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকই পরীক্ষার ডিউটি করেছেন। আশাবাদী ছিলাম তাঁদের পাওয়া নিয়ে। সেটাই হয়েছে।

Advertisement

এত প্রচার সত্ত্বেও মাধ্যমিকের প্রথম দিনেই ভিতরের পোশাকের মধ্যে মোবাইল নিয়ে ঢুকে ধরা পড়েছে বাঁকুড়ার এক ছাত্রী। তার এবছরের পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। গোপীনাথপুর সরোজবাসিনী হাইস্কুলের এই ছাত্রীর ডেওপাড়া চম্পামণি হাইস্কুলে সিট পড়েছিল। দুপুর দেড়টা নাগাদ, পরীক্ষা শেষ হওয়ার আধঘণ্টা আগে সেই ছাত্রীকে মোবাইলসহ ধরে ফেলেন পরিদর্শক। খড়্গপুরের সাউথসাইড হাইস্কুলে নকল অ্যাডমিট কার্ড নিয়ে পরীক্ষা দিতে গিয়ে ধরা পড়েছে এক ছাত্র। রামপুরহাট ডিআরএসএম বিদ্যায়তনের দুই ছাত্র উত্তরপত্র ছিঁড়ে টোকাটুকির চেষ্টা করতে গিয়ে ধরা পড়ে। তাদের উত্তরপত্র রিপোর্টেড এগেইনস্ট (আরএ) করা হয়েছে।

তবে, মালদহ (১০১টি কেন্দ্র), উত্তর দিনাজপুর (১০১টি কেন্দ্র) এবং দক্ষিণ দিনাজপুর (৫৩টি কেন্দ্র) মিলিয়ে মোট ২৭৪টি পরীক্ষাকেন্দ্রে এক বা একাধিক হ্যান্ড হেল্ড মেটাল ডিটেক্টর ব্যবহার করা হয়েছে। স্কুলগুলিই নিজেদের অর্থে সেগুলি কিনে নিয়েছে। ফলে, গণটোকাটুকিতে উপদ্রুত ওই জেলাগুলিতে মোবাইল ফোন নিয়ে ঢোকার চেষ্টা অন্তত প্রথম দিনের পরীক্ষায় হয়নি। গোটা রাজ্যে ২১ জন পরীক্ষার্থী হাসপাতাল থেকে পরীক্ষা দিয়েছে। আর তিনজন পরীক্ষার্থী সেই কেন্দ্রেরই সিক রুমে বসে পরীক্ষা দিয়েছে বলে পর্ষদ সূত্রের খবর।

এদিন প্রশ্নপত্র নিয়ে ছাত্রছাত্রীরা বেশ খুশি। বিধাননগর গভর্নমেন্ট (বিডি) হাইস্কুলে সিট পড়েছিল আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র হাইস্কুল এবং বিধাননগর মিউনিসিপ্যাল স্কুলের পরীক্ষার্থীদের। পরীক্ষা দিয়ে বেরিয়ে ঈশান পাল, সৌম্যদীপ মণ্ডলরা জানাল, ‘সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ’ নিয়ে দুই বন্ধুর কথোপকথন এসেছিল। সেটাই অধিকাংশ পরীক্ষার্থী লিখেছে। আর ‘বাংলার উৎসব’ নিয়ে প্রবন্ধ এসেছিল বলেও তারা খুব খুশি। প্রস্তুতি থাকায় এসব ভালোই লিখতে পেরেছে তারা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ