ঢাকা: বাংলাদেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা জানালেন পুত্র তথা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ১৭ বছর পর বৃহস্পতিবার লন্ডন থেকে বাংলাদেশে ফিরেছেন তারেক। ওইদিন ঢাকার হাসপাতালে ভর্তি মা খালেদা জিয়াকেও দেখতে গিয়েছিলেন তিনি। এদিন লাল-সবুজ বুলেটপ্রুফ বাসে শের-ই-বাংলা নগরে যান তারেক। এদিনও বাসকে ঘিরে ছিল বিএনপি কর্মী-সমর্থকদের ভিড়। আট কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে সময় লেগে যায় প্রায় দু’ঘণ্টা। শের-ই-বাংলা নগরে পৌঁছে সকলকে নিয়ে জিয়া উদ্যানে যান তারেক। সেখানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতার কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তিনি। নিরাপত্তার কারণে পুরো উদ্যান এদিন ঘিরে রেখেছিল বিজিবি, র্যাব এবং পুলিশ। সাধারণ মানুষকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। তবে বাইরে থেকেই তারেকের সমর্থনে স্লোগান দেন বহু মানুষ। জিয়া উদ্যান থেকে সাভারের জাতীয় সৌধেও যান তারেক।
এদিকে, পদ্মাপারে ভারত-বিরোধিতায় কর্মসূচি অব্যাহত। শুক্রবার নামাজের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মিছিলের ডাক দেয় নিহত নেতা ওসমান হাদির সংগঠন ইনকিলাব মঞ্চ। মিছিলে ঘনঘন ভারত-বিরোধী স্লোগান দেওয়া হয়। বিক্ষোভকারীদের কয়েকজন অভিযোগ করে, হাদির হত্যাকারীরা বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছে। কিন্তু দিল্লি সেই বিষয়টি অস্বীকার করছে। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিখ্যাত ‘মধুর ক্যান্টিন’ ভাঙচুর করা হয়। পড়ুয়ারা জানিয়েছেন, এক ব্যক্তি হঠাত্ই ক্যান্টিনের ভিতর ঢুকে টেবল, চেয়ার উল্টে দিয়ে ভাঙচুর শুরু করে। জানলার কাচ ভেঙে দেওয়া হয়। দেওয়ালে ‘বয়কট’ লিখেও দেয় ওই ব্যক্তি। পরে কয়েকজন পড়ুয়া তাকে ধরে প্রোক্টরের অফিসে নিয়ে যায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বুদ্ধিজীবীদের পীঠস্থান বলে পরিচিতি ‘মধুর ক্যান্টিন’। সেই কারণেই ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে মনে করছেন অনেক পড়ুয়া। এর সঙ্গে সংবাদপত্রের অফিসে ভাঙচুরের মিলও পাচ্ছেন তাঁরা। -ছবি সমাজমাধ্যম।