নয়াদিল্লি: আইনের চোখে সবাই সমান। তা সাধারণ মানুষ হোক বা কোনও সেনা আধিকারিক। মঙ্গলবার ফের বার্তাই দেশের সব মহলে পৌঁছে দিল সর্বোচ্চ আদালত। স্ত্রীকে খুনে দোষী সাব্যস্ত এক কমান্ডোর স্পেশাল লিভ পিটিশন খারিজ করল বিচারপতি উজ্জ্বল ভুয়ান ও বিচারপতি বিনোদ চন্দ্রনের ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতে ওই ব্ল্যাক ক্যাট কমান্ডো বলেন, তিনি অপারেশন সিন্দুরে অংশগ্রহণ করেছিলেন। যদিও আদালত জানিয়ে দিয়েছে, তার জন্য তিনি কোনও বিশেষ সুবিধা পাবেন না।
পণের জন্য স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে খুন। ২০০৪ সালেই ওই কমান্ডোকে দোষী সাব্যস্ত করে শাস্তি ঘোষণা করেছিল নিম্ন আদালত। যদিও আত্মসমর্পণ করেননি ওই সেনাকর্মী। উল্টে গ্রেপ্তারি এড়াতে পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টে লিভ পিটিশন দায়ের করেন তিনি। সেই আবেদন মঞ্জুর তো দূর অস্ত, ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের যে সাজা নিম্ন আদালত দিয়েছিল, সেটাই বহাল রাখে হাইকোর্ট। তারপরেই সুপ্রিম কোর্টে স্পেশাল লিভ পিটিশন দাখিল করেন কমান্ডোর আইনজীবী। মঙ্গলবার শীর্ষ আদালতে সেই মামলার শুনানিতে অপারেশন সিন্দুরে অংশগ্রহণ করেছেন বলে উল্লেখ করেন ওই ব্ল্যাক ক্যাট কমান্ডো। বিচারপতি উজ্জ্বল ভুয়ান বলেন, ‘আপনার বিরুদ্ধে গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগ রয়েছে। অপারেশন সিন্দুরে অংশগ্রহণ করার কারণে আপনি খুনের নৃশংসতা থেকে রক্ষাকবচ পেতে পারেন না। আপনার যা শারীরিক ক্ষমতা, আপনি একাই স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে খুন করতে পারেন।’ অভিযুক্ত ওই কমান্ডোকে ২ সপ্তাহের মধ্যে আত্মসমর্পনের নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।