নয়াদিল্লি: ‘ডামি’ স্কুলের পড়ুয়ারা দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষায় বসতে পারবে না। এমনই জানাল সিবিএসই। বোর্ড স্পষ্ট জানিয়েছে, পড়ুয়াদের স্কুলে নিয়মিত উপস্থিত থাকাটা কর্তব্য। তা নিশ্চিত করা অভিভাবকদেরও কর্তব্য। এই নিয়ম না মানার ফলে ডামি স্কুলের পরীক্ষার্থীরা দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় বসতে পারবে না।
কী এই ডামি স্কুল? অনেক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি কেন্দ্রের সঙ্গে যোগ থাকে এই স্কুলগুলির। পড়ুয়ারা মেডিক্যাল বা ইঞ্জিনিয়ারিং প্রবেশিকার প্রস্তুতি নেন স্কুলে না গিয়ে। অনেক ক্ষেত্রে কেন্দ্রগুলির নিজস্ব স্কুলই থাকে। সেগুলিতে দ্বাদশ শ্রেণির নামমাত্র পড়াশোনা হয়। আর উপস্থিতির বাধ্যবাধকতার তো প্রশ্নই নেই। গত বছর জেইই মেইন পরীক্ষায় টপার হয়েছিলেন এক পড়ুয়া। স্কুলে তার নিয়মিত উপস্থিতি ছিল না। বিষয়টি সামনে আসতেই দিল্লির নাংলোইতে ওই স্কুলে আকস্মিক পরিদর্শনে যান সিবিএসই আধিকারিকরা। সামনে আসে ডামি স্কুলের বিষয়টি। তারপর ওই স্কুলের অনুমোদন বাতিল করা হয়। দিল্লি হাইকোর্টও এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেছে। দিল্লি সরকারকে এই বিষয়ে নজর দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কোর্ট। ডামি স্কুল কী? জানা গিয়েছে, এই ধরনের স্কুলে খাতায় কলমে নাম নথিভুক্ত থাকে পড়ুয়াদের। তবে তাদের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক নয়। দেশজুড়ে এমন অনেকগুলি স্কুলের খোঁজ পেয়েছে সিবিএসই।