নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ছাত্রভোট করাতে চায় রাজ্য। কিন্তু কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়গুলিই ভোট করতে নারাজ! রাজ্যের এমন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে এবার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের জবাব তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট।
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ছাত্রভোট করাতে চায় রাজ্য। কিন্তু কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়গুলিই ভোট করতে নারাজ! রাজ্যের এমন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে এবার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের জবাব তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট।
বিচারপতি সুজয় পালের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে শেষ ছাত্রভোট হওয়ার পর থেকে এযাবৎ নির্বাচনের দাবিতে যে ডেপুটেশনগুলি জমা পড়েছে, সেই সমস্ত ডেপুটেশন শিক্ষা দপ্তরে পাঠাতে হবে। এবং সেসব ডেপুটেশনের ভিত্তিতে রাজ্য সরকারের তরফে যে জবাব এসেছে পেশ করতে হবে তারও কপি।
কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ছাত্রভোট নিয়ে দায়ের হওয়া মামলায় রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বলেছিলেন, ‘ছাত্রভোট করাতে কোথাও বাধা দেয়নি রাজ্য। ভোট করানোর জন্য নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছিল। কিন্তু কলেজগুলিই ভোট করতে উদ্যোগী হয়নি।’ কল্যাণের এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে মামলাকারীদের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য সওয়ালে বলেন, কোন কোন কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় এমনটা করছে, সে সম্পর্কে নির্দিষ্ট করে তথ্য দিক রাজ্য। তিনি পাল্টা দাবি করেন, আসলে রাজ্যই ছাত্র সংসদের নির্বাচন বন্ধ রেখেছে। ভোট না-হলে তাদেরই দায়বদ্ধ থাকতে হবে। এরপরই রাজ্যজুড়ে প্রায় ৩৬৫টি কলেজ এবং ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়কে মামলায় পক্ষভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছিল বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি স্মিতা দাস দে’র ডিভিশন বেঞ্চ। এবার তাদের বক্তব্য জানতে চেয়েছে আদালত।
উল্লেখ্য, এর আগে এই মামলাতে আদালতের নির্দেশ ছিল, যেসব কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈধ ছাত্র সংসদ নেই অথবা সম্প্রতি ছাত্র সংসদের নির্বাচন হয়নি, সেখানে ছাত্র সংসদের কক্ষ বা ইউনিয়ন রুম তালাবন্ধ করে রাখতে হবে। কোনও ছাত্র রেজিস্ট্রার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া ইউনিয়ন রুমে প্রবেশ বা ব্যবহার করতে পারবেন না।