Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

আইটিসিকে তথ্যপ্রযুক্তি কেন্দ্রের জন্য অকুপেনসি সার্টিফিকেট দিল রাজ্য, হবে ৫ হাজার কর্মসংস্থান

বাংলায় বিশ্বমানের তথ্যপ্রযুক্তি কেন্দ্র গড়ে তুলেছে আইটিসি লিমিটেড। কিছু দিনের মধ্যেই এই কেন্দ্র চালু হয়ে যাবে। ১২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগে গড়ে ওঠা এই তথ্যপ্রযুক্তি কেন্দ্রের মাধ্যমে পাঁচ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

আইটিসিকে তথ্যপ্রযুক্তি কেন্দ্রের জন্য অকুপেনসি সার্টিফিকেট দিল রাজ্য, হবে ৫ হাজার কর্মসংস্থান
  • ২ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বাংলায় বিশ্বমানের তথ্যপ্রযুক্তি কেন্দ্র গড়ে তুলেছে আইটিসি লিমিটেড। কিছু দিনের মধ্যেই এই কেন্দ্র চালু হয়ে যাবে। ১২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগে গড়ে ওঠা এই তথ্যপ্রযুক্তি কেন্দ্রের মাধ্যমে পাঁচ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। মঙ্গলবার নিউটাউনে রাজ্য সরকারের তরফে ১৭ একর জমির উপর গড়ে ওঠা এই কেন্দ্রের অকুপেনসি সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয় আইটিসি কর্তৃপক্ষকে। এদিন এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে এই কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি লিখেছেন, ‘আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে আমাদের নিউটাউন কলকাতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা এনকেডিএ নিউটাউনের অ্যাকশন এরিয়া ৩-এ অবস্থিত আইটিসি লিমিটেডের বিশ্বমানের তথ্যপ্রযুক্তি ক্যাম্পাসের জন্য অকুপেনসি সার্টিফিকেট জারি করছে, যা আমাদের হিডকো কর্তৃপক্ষের বরাদ্দ করা ১৭ একর জমিতে গড়ে উঠেছে।’ জানা গিয়েছে, এই ক্যাম্পাসে থাকছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ভবন। একটি হাইরাইজ অফিস টাওয়ার, একটি ব্যবসায়িক সহায়তা কেন্দ্র এবং একটি নিবেদিতপ্রাণ জ্ঞানকেন্দ্র। ১৪.৫ লক্ষ বর্গফুটেরও বেশি জায়গায় গড়ে উঠেছে তিনটি ভবন। 

Advertisement

আইটিসির এই উদ্যোগ রাজ্যের তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক বলেও মনে করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, এর ফলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ডিজিটাল এবং তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে পশ্চিমবঙ্গই যে শ্রেষ্ঠ গন্তব্য, তা আরও একবার প্রমাণিত হল। 
সাতদিন আগেই (২৪ জুন) বেঙ্গল সিলিকন ভ্যালিতে প্রথম পর্যায়ে ২০ একর জমিতে টিসিএস-এর অফিস তৈরির বিল্ডিং প্ল্যানের অনুমোদন দিয়েছে রাজ্য। দ্রুত প্রয়োজনীয় সব অনুমোদন দিয়েছে এনকেডিএ কর্তৃপক্ষও। এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যে ২৫ হাজার কর্মসংস্থান তৈরি হবে। এই বিষয়টিও এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রশাসনিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এর থেকেই প্রমাণিত হচ্ছে যে এ রাজ্যে বিনিয়োগ করতে চাইলে লাল ফিতের ফাঁসের সমস্যায় পড়তে হয় না বিনিয়োগকারীদের। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ