নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নির্বাচন কমিশন বলার পরও রাজ্যের চার ইআরও এবং এইআরও’র বিরুদ্ধে এফআইআর করেনি রাজ্য! এই ব্যাপারে হাইকোর্ট হস্তক্ষেপ করুক। বুধবার বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে এমন দাবি জানাল কমিশন। যদিও এই ব্যাপারে কোনও নির্দেশ দেননি বিচারপতি সিনহা।
ঘটনা হল, হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন জানিয়েছিলেন ভোটার তালিকায় কারচুপির অভিযোগে অপসারিত কাকদ্বীপের সিস্টেম ম্যানেজার অরুণ গোরাই। আগাম জামিনের পাশাপাশি তাঁর আরও অভিযোগ ছিল, রাজ্যজুড়ে ভোটার তালিকায় জালিয়াতির একটি চক্র কাজ করছে। এই ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করুক কমিশন। বিষয়টি নিয়ে পৃথক একটি মামলা দায়ের করেন তিনি। সেই সূত্রেই কমিশনকে রিপোর্ট পেশের নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। সেই রিপোর্ট পেশের পরই কমিশনের আইনজীবী তাঁর সওয়ালে বলেন, নির্বাচন কমিশন বলার পরও রাজ্যের চার ইআরও এবং এইআরও’র বিরুদ্ধে এফআইআর করেনি রাজ্য। এতে কমিশনের কাজ করতে অসুবিধা হচ্ছে। এই ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করুক আদালত। কিন্তু বিচারপতি সিনহা জানিয়ে দেন, এই মামলায় কমিশনের এই আবদেনের প্রেক্ষিতে আদালত কোনও নির্দেশ দেবে না। কমিশন চাইলে বিষয়টি নিয়ে এসওপি তৈরি করতে পারে।
অন্যদিকে, অরুণ গোরাইয়ের জামিনের আবেদন মঞ্জুর না-করলেও তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআরের প্রেক্ষিতে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত কোনও পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। তাঁকে তদন্তে সবরকম সহযোগিতা করারও নির্দেশ দিয়েছে আদালত।