Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

দক্ষিণ ২৪ পরগনা: শুনানি কেন্দ্রে বিশেষ পর্যবেক্ষকের পরিদর্শন নির্বিঘ্নে, দিলেন পরামর্শও

ফলতা এবং মগরাহাটে এসআইআরের কাজ খতিয়ে দেখতে গিয়ে প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার পর্যবেক্ষক সি মুরুগন।

দক্ষিণ ২৪ পরগনা: শুনানি কেন্দ্রে বিশেষ পর্যবেক্ষকের পরিদর্শন নির্বিঘ্নে, দিলেন পরামর্শও
  • ৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও সংবাদদাতা, বারুইপুর: ফলতা এবং মগরাহাটে এসআইআরের কাজ খতিয়ে দেখতে গিয়ে প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার পর্যবেক্ষক সি মুরুগন। মঙ্গলবার অবশ্য নির্বিঘ্নে মিটল তাঁর পরিদর্শন কর্মসূচি। এদিন তিনি সোনারপুর, বারুইপুর এবং জয়নগরের বেশ কয়েকটি শুনানি কেন্দ্র ঘুরে দেখেন। তবে বাকি দু’টি জায়গার মতো এখানে ক্ষোভ-বিক্ষোভ হয়নি। শান্তিপূর্ণভাবেই পর্যবেক্ষক শুনানির কাজ পর্যবেক্ষণ করেন। প্রতিটি জায়গাতেই প্রশাসনিক আধিকারিক থেকে শুরু করে বিএলও এবং কয়েকজন ভোটারের সঙ্গে কথা বলেন মুরুগন। আধিকারিকদের তাঁর পরামর্শ, প্রবীণ ভোটার বা যাঁরা চলতে-ফিরতে অক্ষম, এমন ব্যক্তিদের বাড়িতে গিয়ে যাতে শুনানি করা হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। 

Advertisement

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, কেমন কাজ হচ্ছে, তা দেখতেই এসেছিলাম। এই রিপোর্ট সিইও অফিসে জমা দেব। এদিকে, বিভিন্ন বিধানসভা এলাকায় প্রবীণ ও অসুস্থদের বাড়ি গিয়ে এসআইআরের শুনানির কাজ চলছে। মেটিয়াবুরুজের ৯৯ নম্বর অংশের বাসিন্দা মহম্মদ জলিল খান পক্ষাঘাতগ্রস্ত। শয্যাশায়ী অবস্থায় দিন কাটে তাঁর। কথাবার্তা বলতে পারলেও শয্যা ছেড়ে ওঠার ক্ষমতা নেই ৮৫ বছরের এই বৃদ্ধের। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম ছিল না তাঁর। সেই কারণেই তাঁকে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছিল। জলিল খানের বাড়ির লোকজন বিএলওকে বাড়িতে শুনানির জন্য অনুরোধ করেছিলেন। তাতে সাড়া দিয়ে সোমবার বৃদ্ধের বাড়িতে যান আধিকারিকরা। প্রয়োজনীয় নথি পরীক্ষা করেন তাঁরা। অন্যদিকে, সোনারপুরে শুনানি কেন্দ্রে যাঁরা আসছেন, তাঁদের নথিপত্র যাচাইয়ের কাজ শেষ হয়ে গেলে প্রবীণ ও অসুস্থদের বাড়ি যাবেন আধিকারিকরা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ