Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

দক্ষিণ ২৪ পরগনা: পুনর্বিবেচনার আরজি সাড়ে ১৪ হাজার বিচারাধীনের, আগামী সপ্তাহেই শুনানির সম্ভাবনা

এসআইআর পর্বে যেভাবে নাম বাদ গিয়েছে বা লক্ষ লক্ষ মানুষকে ‘বিচারাধীন’ রেখে দেওয়া হয়েছে, তাতে ভোটাধিকার নিয়ে অনেকের মনেই সংশয় তৈরি হয়েছে।

দক্ষিণ ২৪ পরগনা: পুনর্বিবেচনার আরজি সাড়ে ১৪ হাজার বিচারাধীনের, আগামী সপ্তাহেই শুনানির সম্ভাবনা
  • ২৩ মার্চ, ২০২৬ ১৪:০৩
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: এসআইআর পর্বে যেভাবে নাম বাদ গিয়েছে বা লক্ষ লক্ষ মানুষকে ‘বিচারাধীন’ রেখে দেওয়া হয়েছে, তাতে ভোটাধিকার নিয়ে অনেকের মনেই সংশয় তৈরি হয়েছে। যাঁরা মনে করছেন তাঁরা সঠিক ও বৈধ নথি জমা দেওয়ার পরও নাম বাদ বা ‘বিচারাধীন’ করে দেওয়া হয়েছে, তাঁদের উদ্বেগই বেশি। ব্যতিক্রম নয় দক্ষিণ ২৪ পরগনা। ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম ধাপের ভোটার তালিকা বেরনোর পর দেখা যায়, ৫০ হাজারের বেশি নাম বাতিল করেছে কমিশন। অথচ, আপত্তি জানিয়ে পুনর্বিবেচনা করার জন্য আবেদন জমা পড়েছে মাত্র সাড়ে ১৪ হাজার। আবেদনের সংখ্যা এত কম কেন? এ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসনের দাবি, অনেকেরই হয়তো কোনো নথি নেই বা শুনানির সময় কিছুই জমা দিতে না পারায় নাম বাদ গিয়েছে। তাই পুনর্বিবেচনা করে কোনো লাভ হবে না ধরে নিয়ে তাঁরা আবেদন করেননি। এবার প্রশ্ন হল, যাঁরা দরখাস্ত দিয়েছেন, তাঁদের শুনানি কবে শুরু হবে? প্রশাসনিক সূত্রে খবর, আগামী সপ্তাহে একজন অতিরিক্ত জেলাশাসকের উপস্থিতিতে এই ভোটারদের ডাকা হতে পারে। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর আবেদন জানানোর জন্য ১৫ দিন সময় দেওয়া হয়েছিল। প্রথম দিকে আলিপুরে জেলা প্রশাসনের সদর কার্যালয়ে খুব বেশি ভিড় না হলেও কয়েকদিন পর থেকে ভোটারদের সমাগম ছিল চোখে পড়ার মতো। এমনকি, দূর-দূরান্ত থেকে যাতে মানুষকে আলিপুর ছুটে আসতে না হয়, তার জন্য ব্লক ও মহকুমা শাসকের অফিসেও নেওয়া শুরু হয় আবেদনপত্র। অনেকে আবার ই-মেল করেও আবেদন জানিয়েছিলেন। সব জায়গা থেকে কাগজপত্র একত্রিত করে দেখা গিয়েছে, মোট বাতিলের মাত্র ২৯ শতাংশ ভোটার মনে করছেন যে, তাঁদের নাম বাদ যাওয়াটা সঠিক হয়নি। এদের মধ্যে অনেকেই বলেন, যাবতীয় নথিপত্র জমা দেওয়া হয়েছিল। তারপরও কেন নাম বাদ দেওয়া হল, বোঝা যাচ্ছে না। সে কারণেই পুনর্বিবেচনা করতে সব কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। জেলা সূত্রে খবর, কাকদ্বীপ, ক্যানিং পশ্চিম, সোনারপুর উত্তর এবং বারুইপুর পশ্চিম থেকে সব থেকে বেশি আবেদন জমা পড়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ