নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: লেখাপড়া বেশি দূর নয়, পরিবারের আর্থিক অবস্থাও খারাপ। পেটের তাগিদে যৌন কারবারের ‘পিম্প’ (দালাল) হিসেবে পথচলা শুরু। এরপর কারবারের আদ্যোপান্ত সম্পর্কে ওয়াকিবহাল হয়ে নিজেই খুলে ফেলে ‘সেক্স র্যাকেট’। ফেঁদে বসে দেহব্যবসা, এসকর্ট সার্ভিস আর পর্ন ভিডিও’র রমরমা কারবার—সোদপুরের যুবতী নির্যাতন কাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত শ্বেতা খানকে জেরা করে এই তথ্যই পেয়েছেন হাওড়া পুলিস কমিশনারেটের তদন্তকারীরা। বন্দরের যে ‘ডন’-এর বর্তমান গার্লফ্রেন্ড শ্বেতা, তার ‘ভরসা’তেই মেটিয়াবুরুজ, আকড়া-সন্তোষপুর, হরিদেবপুর, বেহালা ও কসবা এলাকায় ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে খুলে ফেলে ‘মধুচক্র’। ডনের ছত্রচ্ছায়ায় থাকায়, প্রতিবাদে টুঁ শব্দটি করার হিম্মত দেখায়নি কেউই। এই সমস্ত ফ্ল্যাটেই চলত পর্ন ভিডিও’র কারবারও। নিজের ছেলে আরিয়ান খানকে ‘নায়ক’ বানিয়ে তৈরি হতো অশ্লীল শর্ট ফিল্ম। সেই ফিল্ম দেশের বিভিন্ন প্রান্ত তো বটেই, পৌঁছে যেত ব্যাংককের নীল ছবির কারবারিদের কাছেও। মোটা পারিশ্রমিক মিলত শ্বেতার। অশ্লীল ছবি ও যৌন কারবারের ফাঁদে বাংলাদেশি মেয়েরাও পড়েছিল বলে জেনেছেন তদন্তকারীরা। বৃহস্পতিবার সোদপুরের যুবতীকে বউমা বলে দাবি করেছিল শ্বেতা। শুক্রবার বয়ান বদল করে ফের বলেছে, বিবাহিতা ওই যুবতীর সঙ্গে তার স্বামীর এখনও ডিভোর্স হয়নি। তাই ছেলে (আরিয়ান) ওকে (সোদপুরের যুবতী) পছন্দ করলেও, আমার কিছুটা আপত্তি ছিল।



