নিজস্ব প্রতিনিধি কৃষ্ণনগর, রানাঘাট, সংবাদদাতা নবদ্বীপ ও তেহট্ট: নদীয়া জেলায় প্রথমদিনের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা নির্বিঘ্নেই সম্পন্ন হল। কোথাও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। কোনও পরীক্ষার্থীকে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে যেতেও হয়নি। প্রতিটি স্কুলেই মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে পরীক্ষার্থীদের তল্লাশি করা হয়। তারপর তাঁরা পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢোকেন। মোট পরীক্ষার্থীর ৯৮ শতাংশই উচ্চ মাধ্যমিকে বসেছেন। প্রায় ৪৫০জন পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিলেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের তরফে পরীক্ষার্থীদের ফুল ও পেন দিয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
Advertisement
নদীয়া জেলার ডিআই শুভ্রকান্তি নন্দ বলেন, উচ্চ মাধ্যমিকের প্রথমদিনের পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবেই সম্পন্ন হয়েছে। কোথাও কোনও ঘটনা ঘটেনি। আমরা যে কোনওরকম পরিস্থিতির মোকাবিলা করার জন্য প্রস্তুত ছিলাম।
এবার উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষাকেন্দ্রে আঁটোসাঁটো নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে দেওয়া হয়েছে মেটাল ডিটেক্টর। সেইসঙ্গে পরীক্ষাকেন্দ্রের প্রবেশদ্বার সহ বিভিন্ন জায়গা সিসি ক্যামেরায় মুড়ে ফেলা হয়। জেলার ১৯টি স্পর্শকাতর পরীক্ষাকেন্দ্রকে চিহ্নিত করে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এবছর জেলায় ২১৭৯০জন উচ্চ মাধ্যমিক দিচ্ছে। এর মধ্যে ছাত্রের সংখ্যা ১০৬৭০জন। ছাত্রীর সংখ্যা ১১১২০জন। ১৩১টি পরীক্ষাকেন্দ্রে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা হচ্ছে। এর মধ্যে মেন ভেনুর সংখ্যা ৩৬। সাব ভেনুর সংখ্যা ৯৫। জেলার উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার কনভেনার দিলীপ সিংহ বলেন, ছাত্রছাত্রীদের পরীক্ষাকেন্দ্রে আসতে যাতে কোনও সমস্যা না হয়, সেদিকে আমার বাড়তি নজর দিয়েছিলাম। পরীক্ষার্থীরা সময়মতোই কেন্দ্রে পৌঁছেছে। রানাঘাট মহকুমায় প্রথমদিনের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা শান্তিপূর্ণভাবেই মিটেছে। কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই পরীক্ষা নেওয়া হয়। বিকেল পর্যন্ত কোথাও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। তবে বাদকুল্লায় এক উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ভুল করে অ্যাডমিট বাড়িতে রেখে এসেছিলে। তাহেরপুর থানার এক সিভিক ভলান্টিয়ার প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে ওই পরীক্ষার্থীর বাড়ি থেকে তড়িঘড়ি অ্যাডমিট নিয়ে আসেন। এরপর ওই পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেন। শান্তিপুরের বাদামগাছি হাইস্কুলের ছাত্র সুরজিৎ সাহা বলেন, পরীক্ষার প্রস্তুতি বেশ ভালোই হয়েছিল। প্রথমদিনের পরীক্ষা। তাই একটু ভয় করেছে। তবে পরীক্ষা ভালোই হয়েছে। আশা করছি, ভালো ফল হবে।তেহট্টে পরীক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানাতে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক তাপস সাহা। পলাশীপাড়া সহ সমস্ত জায়গায় তৃণমূলের তরফে পরীক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানানো হয়। নবদ্বীপ পুর এলাকার বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে নির্বিঘ্নেই প্রথমদিনের পরীক্ষা হয়েছে। শহরে পাঁচটি পরীক্ষাকেন্দ্রে ৭৩৪জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। এর মধ্যে ৩৭৯জন ছাত্র ও ৩৫৫জন ছাত্রী।
এবার উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষাকেন্দ্রে আঁটোসাঁটো নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে দেওয়া হয়েছে মেটাল ডিটেক্টর। সেইসঙ্গে পরীক্ষাকেন্দ্রের প্রবেশদ্বার সহ বিভিন্ন জায়গা সিসি ক্যামেরায় মুড়ে ফেলা হয়। জেলার ১৯টি স্পর্শকাতর পরীক্ষাকেন্দ্রকে চিহ্নিত করে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এবছর জেলায় ২১৭৯০জন উচ্চ মাধ্যমিক দিচ্ছে। এর মধ্যে ছাত্রের সংখ্যা ১০৬৭০জন। ছাত্রীর সংখ্যা ১১১২০জন। ১৩১টি পরীক্ষাকেন্দ্রে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা হচ্ছে। এর মধ্যে মেন ভেনুর সংখ্যা ৩৬। সাব ভেনুর সংখ্যা ৯৫। জেলার উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার কনভেনার দিলীপ সিংহ বলেন, ছাত্রছাত্রীদের পরীক্ষাকেন্দ্রে আসতে যাতে কোনও সমস্যা না হয়, সেদিকে আমার বাড়তি নজর দিয়েছিলাম। পরীক্ষার্থীরা সময়মতোই কেন্দ্রে পৌঁছেছে। রানাঘাট মহকুমায় প্রথমদিনের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা শান্তিপূর্ণভাবেই মিটেছে। কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই পরীক্ষা নেওয়া হয়। বিকেল পর্যন্ত কোথাও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। তবে বাদকুল্লায় এক উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ভুল করে অ্যাডমিট বাড়িতে রেখে এসেছিলে। তাহেরপুর থানার এক সিভিক ভলান্টিয়ার প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে ওই পরীক্ষার্থীর বাড়ি থেকে তড়িঘড়ি অ্যাডমিট নিয়ে আসেন। এরপর ওই পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেন। শান্তিপুরের বাদামগাছি হাইস্কুলের ছাত্র সুরজিৎ সাহা বলেন, পরীক্ষার প্রস্তুতি বেশ ভালোই হয়েছিল। প্রথমদিনের পরীক্ষা। তাই একটু ভয় করেছে। তবে পরীক্ষা ভালোই হয়েছে। আশা করছি, ভালো ফল হবে।তেহট্টে পরীক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানাতে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক তাপস সাহা। পলাশীপাড়া সহ সমস্ত জায়গায় তৃণমূলের তরফে পরীক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানানো হয়। নবদ্বীপ পুর এলাকার বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে নির্বিঘ্নেই প্রথমদিনের পরীক্ষা হয়েছে। শহরে পাঁচটি পরীক্ষাকেন্দ্রে ৭৩৪জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। এর মধ্যে ৩৭৯জন ছাত্র ও ৩৫৫জন ছাত্রী।



