সংবাদদাতা, দিনহাটা: ২০২৩ সালে ১৮ নভেম্বর দিনহাটা-১ ব্লকে প্রথম রিভিউ মিটিং করেন বর্তমান জেলাশাসক অরবিন্দকুমার মিনা। অর্থ কমিশনের বরাদ্দকৃত অর্থের মাত্র ৫১ শতাংশ খরচ করতে পেরেছিল দিনহাটা-১ ব্লক। সেসময় বিডিও গঙ্গা ছেত্রী সবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। অর্ধেক টাকা ব্লকে পড়ে থাকায় জেলাশাসকের ধমক শুনতে হয় তাকে। তারপর থেকেই কাজের গতি আসে। ২০ ফেব্রুয়ারি অর্থ খরচের নিরিখে সারা রাজ্যে দিনহাটা-১ ব্লক প্রথম। ১৫তম অর্থ কমিশনের টাকা ৯৯. ৯৮ শতাংশ খরচ করেছে তারা। প্রায় ১০০শতাংশ টাকা খরচ করার কারণে জেলাশাসকের প্রশংসা পেয়েছেন গঙ্গা ছেত্রী। তবে শুধু টাকা খরচই নয়, সরকারি টাকায় তৈরি জিনিসপত্রের মান কেমন হয়েছে, তা পরিদর্শনের নির্দেশ দিয়েছেন জেলাশাসক। বৃহস্পতিবার দিনহাটা-১ ব্লকের রিভিউ মিটিং করেন কোচবিহার জেলাশাসক। সমস্ত সরকারি প্রকল্পের বর্তমান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন তিনি। দিনহাটা-১ ব্লকের কাজকর্মে খুশি তিনি। প্রতিটি দপ্তরের কাজের খতিয়ান বুঝে নেওয়ার পরে হাততালি দিয়ে উৎসাহিত করেছেন কর্মকর্তাদের।
Advertisement
২০২৩ সালে প্রশাসনিকস্তরে রদবদল ঘটে জেলা সহ দিনহাটা-১ ব্লকে। জেলাশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ব্লকে ব্লকে রিভিউ মিটিং করেন অরবিন্দকুমার মিনা। অর্থ কমিশনের বরাদ্দ হলেও টাকা খরচ করতে পারছিল না ব্লক সহ গ্রাম পঞ্চায়েতগুলি। দিনহাটা-১ ব্লকে মাত্র ৫১শতাংশ টাকা খরচ হয়েছিল। ব্লকের ওকড়াবাড়ি ও গোসানিমারি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতে নামমাত্র টাকা উন্নয়ন খাতে ব্যয় হয়েছিল। ১৮ নভেম্বর ২০২৩ সালে প্রথম রিভিউ মিটিংয়ে ব্লকের এরকম দশা দেখে কড়া ধমক দেন জেলাশাসক। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসেই চিত্র পুরো বিপরীত। সব গ্রাম পঞ্চায়েত নব্বই শতাংশের বেশি টাকা খরচ করে ফেলেছে।
দিনহাটা-১ এর বিডিও গঙ্গা ছেত্রী বলেন, ৯৯.৯৮ শতাংশ কেন্দ্রীয় অর্থ কমিশনের বরাদ্দ টাকা খরচ করা হয়েছে। রাজ্যে আমাদের ব্লক টাকা খরচের হিসাবে এক নম্বরে রয়েছে। কোচবিহার জেলাশাসক বলেন, দিনহাটা-১ ব্লকের রিভিউ মিটিং করা হয়েছে। উন্নয়নের কাজকর্ম সন্তোষজনক হয়েছে।
দিনহাটা-১ এর বিডিও গঙ্গা ছেত্রী বলেন, ৯৯.৯৮ শতাংশ কেন্দ্রীয় অর্থ কমিশনের বরাদ্দ টাকা খরচ করা হয়েছে। রাজ্যে আমাদের ব্লক টাকা খরচের হিসাবে এক নম্বরে রয়েছে। কোচবিহার জেলাশাসক বলেন, দিনহাটা-১ ব্লকের রিভিউ মিটিং করা হয়েছে। উন্নয়নের কাজকর্ম সন্তোষজনক হয়েছে।



