Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

হাওড়া গ্রামীণ এলাকার একাধিক হাসপাতালে নেই নিজস্ব অ্যাম্বুলেন্স

গত বৃহস্পতিবার শ্যামপুরের কমলপুরে এক রোগীর মৃত্যুর জন্য অ্যাম্বুলেন্স চালকদের অসহযোগিতাকে দায়ী করা হয়েছিল।

হাওড়া গ্রামীণ এলাকার একাধিক হাসপাতালে নেই নিজস্ব অ্যাম্বুলেন্স
  • ১৪ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: গত বৃহস্পতিবার শ্যামপুরের কমলপুরে এক রোগীর মৃত্যুর জন্য অ্যাম্বুলেন্স চালকদের অসহযোগিতাকে দায়ী করা হয়েছিল। ওই ঘটনা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছিল, গ্রামীণ এলাকার বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিজস্ব অ্যাম্বুলেন্স থাকা কতটা প্রয়োজন। শুধু গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্র কেন, উলুবেড়িয়া শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মেডিক্যাল কলেজেরও  নিজস্ব কোনও অ্যাম্বুলেন্স নেই! বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের উপরেই রোগী ও তাঁদের পরিবারের লোকজনকে ভরসা করতে হয়।  

Advertisement

উলুবেড়িয়া মহকুমার ন’টি ব্লকেই গ্রামীণ হাসপাতাল আছে। এছাড়া আমতা, উদয়নারায়নপুর ব্লকে আছে স্টেট জেনারেল হাসপাতাল। সাঁকরাইল, পাঁচলা সহ পার্শ্ববর্তী জেলা থেকেও বহু মানুষ চিকিৎসার জন্য উলুবেড়িয়া মেডিক্যাল কলেজে আসেন। গ্রামীণ এলাকার এতগুলি হাসপাতালের মধ্যে হাতেগোনা কয়েকটি ক্ষেত্রেই আছে নিজস্ব অ্যাম্বুলেন্স। সরকারি অ্যাম্বূলেন্স না থাকায় রাতবিরেতে বিপাকে পড়তে হয় রোগীদের। মোটা টাকা ভাড়া গুনতে হয়।  সরকারি পরিষেবা থাকলে এক্ষেত্রে রোগীর পরিবার সুরাহা পেত অনেকটা। উলুবেড়িয়া মেডিক্যাল কলেজের মতো বড় স্বাস্থ্যকেন্দ্রেও একটি সরকারি অ্যাম্বুলেন্স থাকবে না কেন, সেই প্রশ্ন জোরালো হচ্ছে। রোগীর আত্মীয়দের বক্তব্য, সরকারি অ্যাম্বুলেন্স তো নেই। ‘নিশ্চয় যান’ শুধুমাত্র প্রসূতি মায়েদের জন্য কাজে লাগানো হয়। ফলে সিংহভাগ রোগীর আত্মীয়দের অ্যাম্বুলেন্স খুঁজতে গিয়ে নাকানিচোবানি খেতে হয়। 
এ প্রসঙ্গে হাওড়া জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক কিশলয় দত্ত বলেন, ‘সব ছোট হাসপাতালে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স নেই, এটা ঠিক। আমতা, জগৎবল্লভপুর এবং ডোমজুড় হাসপাতালে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স আছে। যেসব হাসপাতালে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স নেই, সেখানে অন্তত একটি যাতে দেওয়া যায়, তার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাব। তবে অ্যাম্বুলেন্স না থাকলেও জরুরি প্রয়োজনে নিশ্চয় যানকেও আমরা রোগী নিয়ে যেতে বলি।’ উলুবেড়িয়া মেডিক্যাল কলেজের নিজস্ব অ্যাম্বুলেন্স না থাকা প্রসঙ্গে সেখানকার ভাইস প্রিন্সিপাল এবং মেডিক্যাল সুপার অগ্নিহোত্রী ভট্টাচার্য জানান, বিষয়টি স্বাস্থ্য ভবনের নজরে আনা হয়েছে। 

সম্পর্কিত সংবাদ