নিজস্ব প্রতিনিধি, মারগাও: সেমি-ফাইনালের আগে তাঁর চোট দিয়ে চলছিল নানা গুঞ্জন। ছুটি কাটিয়ে কলকাতায় ফেরার পর শুরুর কয়েকদিন তো প্র্যাকটিসও করেননি সাউল ক্রেসপো। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ফিট হয়ে তিনি মাঠে নামলেন। শুধু তাই নয়, পেলেন গোলও। ম্যাচ শেষে টানেল দিয়ে বেরনোর সময় তাই স্প্যানিশ মিডিওর মুখে হাজার ওয়াটের তৃপ্তির হাসি। সাউল বলছিলেন, ‘বিকেল চারটেয় প্রচণ্ড গরমে খেলাটা খুব কঠিন। তবে আমরা সেরাটা উজাড় করে দিয়েছি। দলকে ফাইনালে তুলতে পেরে দারুণ খুশি। তবে আবেগে ভাসতে চাই না। দু’দিন পরই ফাইনাল। ফোকাস ধরে রাখাটা জরুরি।’
সেমি-ফাইনালে আপনার খেলা নিয়েই অনিশ্চয়তা ছিল। আর আপনিই দলের জয়ে অন্যতম নায়ক। কী বলবেন? প্রশ্নটা শুনেই মুখে হাসি সাউলের। একটু থেমে তাঁর জবাব, ‘সত্যি বলতে কৃতিত্ব ফিজিও এবং ডাক্তারদের। আজকের গোল স্পেনের ফিজিক্যাল ট্রেনার এবং ইস্ট বেঙ্গলের ফিজিওকে উত্সর্গ করতে চাই।’ সেমি-ফাইনালের প্রস্তুতি প্রসঙ্গে সাউলের মন্তব্য, ‘পাঞ্জাব শক্তিশালী দল। তাই জানতাম, লড়াইটা সহজ হবে না।’ ফাইনালের জন্য প্রস্তুত তো? প্রশ্নটা শুনেই সাউলের চোখেমুখে আত্মবিশ্বাস ঠিকরে বেরল, ‘১০০ শতাংশ তৈরি। গত কয়েক মাস কঠোর পরিশ্রম করেছি। তা সুপার কাপ জিতলেই সার্থক হবে।’
ইস্ট বেঙ্গল ফাইনালে উঠলেও লাল কার্ড দেখেছেন অস্কার ব্রুজোঁ। ফাইনালে কোচের না থাকার প্রসঙ্গে সাউল অবশ্য তেমন কিছু মন্তব্য করতে চাইলেন না। তবে একাধিক বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করলেন সহকারী বিনো জর্জ। তিনি বলছিলেন, ‘ম্যাচে রেফারির একাধিক সিদ্ধান্ত আমাদের বিরুদ্ধে গিয়েছে। মনে হয়েছিল, হিরোশিকে বক্সে ফেলাটা পেনাল্টি ছিল।’ এদিকে, ফাইনালের আগে হোটেল পরিবর্তন করছে ইস্ট বেঙ্গল। এমনকী, বদল আসতে পারে অনুশীলন মাঠেরও। আসলে ফাইনালের আগে কোনও জায়গায় খামতি রাখতে নারাজ লাল-হলুদ টিম ম্যানেজমেন্ট।