গুয়াহাটি: রাজস্থান রয়্যালস এখনও জয়ের মুখ দেখেনি। চেন্নাই সুপার কিংসও গত ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর কাছে হেরেছে। এমন পরিস্থিতিতে রবিবার গুয়াহাটিতে মুখোমুখি দুই দল। বলাই বাহুল্য, চাপ কাটিয়ে জিততে মরিয়া সঞ্জু-ঋতুরাজরা।
গুয়াহাটি: রাজস্থান রয়্যালস এখনও জয়ের মুখ দেখেনি। চেন্নাই সুপার কিংসও গত ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর কাছে হেরেছে। এমন পরিস্থিতিতে রবিবার গুয়াহাটিতে মুখোমুখি দুই দল। বলাই বাহুল্য, চাপ কাটিয়ে জিততে মরিয়া সঞ্জু-ঋতুরাজরা।
চলতি আইপিএলে শুরুটা অবশ্য মন্দ করেনি চেন্নাই। প্রথম ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে সহজেই হারান ধোনিরা। তবে শুক্রবার নিজেদের দুর্গেই মুখ থুবড়ে পড়ে হলুদ-ব্রিগেড। চিপকে ১৭ বছর পর বিরাট কোহলিদের কাছে হারের তিক্ততা নিয়ে মাঠ ছাড়ে চেন্নাই। ফুটে ওঠে ব্যাটিংয়ের কঙ্কালসার চেহারা। টপ অর্ডারে রাচীন রবীন্দ্র ও ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ফ্লপ করলে মিডল অর্ডারে হাল ধরার লোক নেই। পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়েছে রাহুল ত্রিপাঠি, দীপক হুদা, স্যাম কারান একেবারেই ফর্মে না থাকায়। ফিনিশার মহেন্দ্র সিং ধোনি শেষ ম্যাচে ন’নম্বরে নেমে ১৬ বলে অপরাজিত ৩০ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। কিন্তু তাঁর জেদ, কিছুতেই ব্যাটিং অর্ডারে উপরের দিকে নামবেন না। মাহি না চাইলে কারও জোর খাটানোর উপায়ও নেই! চেন্নাইয়ের পেস বিভাগ মাথিশা পাথিরানার উপর নির্ভরশীল। নুর আহমেদ, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, রবীন্দ্র জাদেজার উপস্থিতিতে স্পিন বিভাগ অবশ্য যথেষ্ট শক্তিশালী। তবে চিপকের পিচ নিয়ে সন্তুষ্ট নন ধোনিদের কোচ স্টিফেন ফ্লেমিং। আরসিবি’র কাছে হারের পর তিনি বলেন, ‘উইকেটের চরিত্র বুঝতে পারিনি। ভেবেছিলাম, শিশির পড়লে বল স্কিড করবে। কিন্তু দেখলাম বল থমকে থমকে আসছে।’
পক্ষান্তরে, রাজস্থানের টিম খাতায় কলমে সমীহ করার মতো। তবে মাঠে তার প্রতিফলন ঘটছে না। তার উপর সঞ্জু স্যামসনের আঙুলের চোট পুরোপুরি ঠিক না হওয়ায় তিনি ইমপ্যাক্ট সাব হিসেবে নামছেন। আর দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন আনকোরা রিয়ান পরাগ। সেটাই রাজস্থানের বড় দুর্বলতা। প্রথম ম্যাচে সানরাইজার্সের রানের পাহাড়ে চাপা পড়েছিল রয়্যালস। আর দ্বিতীয় ম্যাচে ঘরের মাঠে কেকেআরের স্পিনারদের জালে আটকে যান যশস্বীরা। ব্যাটিংয়ে যশস্বী, স্যামসন, ধ্রুব জুরেল ছন্দে আছেন। বোলিংয়ে জোফ্রা আর্চার, ফারুকি, থিকসানার মতো নাম রয়েছে। তাই টানা দু’টি হারের ধাক্কা সামলে চলতি মরশুমে প্রথম জয় পেতে মরিয়া রাজস্থান।