Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

‘সাত জনম কা সাথ হ্যায়’, খুনের পর স্বামীর সোশ্যাল অ্যাকাউন্ট থেকেই পোস্ট সোনমের

‘সাত জনম কা সাথ হ্যায়’, খুনের পর স্বামীর সোশ্যাল অ্যাকাউন্ট থেকেই পোস্ট সোনমের
  • ১১ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

শিলং: হানিমুনের নাম করে স্বামীকে শিলংয়ে নিয়ে গিয়ে ঠেলে খুন করা হয়েছে। এরপরও নির্বিকার ছিলেন সোনম। শুধু তাই নয়, স্বামী বেঁচে রয়েছেন এটা প্রমাণ করতে উঠে পড়ে লেগেছিলেন তিনি। খুনের পর স্বামীর সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকেই তিনি পোস্ট করেছিলেন, ‘সাত জনম কা সাথ হ্যায়।’ তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, ২৩ মে ফটো শুট করার অছিলায় রাজাকে পাহাড়ের উপরে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর তাঁকে সুপারি কিলার দিয়ে খুন করা হয়েছিল। খুনের কাজে হাতও লাগিয়েছিল সোনম। আর এই পোস্ট করা হয় সেদিন দুপুর ২টো ১৫ নাগাদ। তার আগেই খুন হয়েছেন সোনমের স্বামী রাজা রঘুবংশী। খুনের কাজে সাহায্য করেছেন তাঁর প্রেমিক রাজ কুশওয়া। এই প্রেমিক আবার সোনমের থেকে পাঁচ বছরের ছোট। ছিলেন সোনমদের ডিস্ট্রিবিউশন সংস্থার একজন সাধারণ কর্মী। সোনমকে প্রথমে দিদিই ডাকত সে। পরে সংস্থার এমডি সোনমের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে।

Advertisement

রাজার মা উমা রঘুবংশী জানিয়ছেন, ২৩ মে ছেলেকে ফোন করেও যোগাযোগ করতে পারেননি। এরপর তিনি সোনমকে জিজ্ঞাসা করেন তাঁর ছেলের মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে কি না? উত্তরে সোনম বলেন, তাঁরা একটি উঁচু পাহাড়ে রয়েছেন। একটু পরে ফোন করবেন। সোনম তখন হাঁপাচ্ছিলেন। তা বুঝে শাশুড়ি উমা প্রশ্ন তোলেন, এমন একটা ট্রেকিংয়ের কী দরকার। উত্তর পুত্রবধূ সোনম বলেন, ‘পাহাড়গুলো অসাধারণ সুন্দর। চারিদিকের পরিবেশ কল্পনাতীত।’ উমা জানিয়েছেন, সেদিন এমনভাবে সোনম কথা বলছিলেন, যাতে মনে হচ্ছিল, সবকিছু স্বাভাবিক। 
এই পরিস্থিতিতে সামনে এসেছে আরও একটি তথ্য। প্রাথমিকভাবে হানিমুনের জন্য কাশ্মীরকেই বেছেছিলেন তাঁরা। তবে ‘অপারেশন সিন্দুর’ শুরু হওয়ায় স্থান বদলে মেঘালয় করা হয়। সূত্রের খবর, সোনমই বিকল্প জায়গা হিসেবে মেঘালয়ের প্রস্তাব দেন। রাজা এবং তাঁর পরিবার সেই প্রস্তাব খারিজ করে দিয়েছিলেন। তখন সোনম নাকি বলেন, তিনি সব ব্যবস্থা করে ফেলেছেন। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ