লখনউ: ঋষভ পন্থের দুর্দশা কাটল না। আইপিএলের চলতি আসরে আরও একবার ব্যর্থ হলেন ২৭ কোটির তারকা। সোমবার একানা স্টেডিয়ামে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে তিন নম্বরে নেমে তাঁর সংগ্রহ মাত্র ৭। এশান মালিঙ্গার দুরন্ত ফিরতি ক্যাচে লখনউ সুপার জায়ান্টসের ক্যাপ্টেন ফেরার পথ ধরেন। সঙ্গে সঙ্গে বিরক্ত এলএসজি মালিক সঞ্জীব গোয়েঙ্কা ঢুকে পড়েন ভিতরে। খেলা দেখার আগ্রহই যেন আর নেই। হতাশা স্বাভাবিক। হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ৬ উইকেটে হেরে প্লে-অফের আগেই বিদায় নিল লখনউ। ব্যর্থ মার্শ ও মার্করামের লড়াই। ১২ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট পন্থদের। অন্যদিকে হায়দরাবাদের সংগ্রহ ৯ পয়েন্ট।
প্লে-অফের লড়াইয়ে টিকে থাকার জন্য এদিন বড় ব্যবধানে জেতা জরুরি ছিল লখনউয়ের। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে সেই লক্ষ্যেই বদ্ধপরিকর দেখাচ্ছিল হোমটিমকে। দুই ওপেনার মিচেল মার্শ ও আইডেন মার্করাম বড় রানের ভিত গড়ে দেন। প্রথম উইকেটে দু’জনে যোগ করেন ১১৫। ৩৯ বলে মার্শের ব্যাটে আসে ঝোড়ো ৬৫। তিনি মারেন ৬টি চার ও ৪টি ছক্কা। মার্করামের ৬১ আসে ৩৮ বলে। তিনি ৪টি চার ও ৪টি ছক্কা মারেন। এছাড়া রান পান নিকোলাস পুরান। চার নম্বরে নেমে ২৬ বলে বাঁ-হাতি ক্যারিবিয়ান করেন ৪৫। আয়ূষ বাদোনি (৩) ও আব্দুল সামাদ (৩) রান পাননি।
শেষ দুই ওভারে লখনউ তোলে ৩৫ রান। সাত উইকেটে ২০৫ রানে থামে তারা। একসময় যদিও মনে হচ্ছিল যে ২২৫ পেরিয়ে যাবেন মার্শ-মার্করামরা। তখন অসহায় দেখাচ্ছিল হায়দরাবাদের বোলারদের। কিন্তু ক্রমশ মন্থর হতে শুরু করে পিচ। গতি কমিয়ে বোলিংয়ে জোর দেন বোলাররা। সানরাইজার্সের সফলতম বোলার এশান মালিঙ্গা (২-২৮)। হর্ষ দুবে (১-৪৪), হার্শল প্যাটেল (১-৪৯), নীতীশ রেড্ডিরা (১-২৮) সকলেই উইকেট পান। সানরাইজার্স ক্যাপ্টেন প্যাট কামিন্স (০-৩৪) ও জিশান আনসারি (০-২২) যদিও উইকেটহীন থাকেন।
২০৬ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে শুরুতে চাপে পড়ে যায় হায়দরাবাদ। এরপর হাল ধরেন অভিষেক শর্মা ও ঈশান কিষান। মাত্র ২০ বলে ৫৯ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন বাঁ হাতি অভিষেক। ৪টি চার ও হাফ ডজন বিশাল ছক্কা রয়েছে তাঁর ইনিংসে। অন্যদিকে ইশানের সংগ্রহ ৩৫ রান। শেষদিকে ঠাণ্ডা মাথায় ইনিংস টেনে নিয়ে যান করেন ক্লাসেন (৪৭)ও কামিন্দু মেন্ডিস (৩২)। মাত্র ৪ উইকেট হারিয়ে ২০৬ রান তোলে হায়দরাবাদ।