নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: হাওড়ার বালির একাংশের জল যন্ত্রণা থেকে শীঘ্রই মুক্তি পাওয়া যাবে। কলকাতা হাইকোর্টে রিপোর্ট দিয়ে এমনটাই জানাল রাজ্য। বেহাল নিকাশির কারণে বছরের বেশিরভাগ সময় জলমগ্ন থাকে হাওড়ার বালির ওই অংশ। সেই জলে ডুবে একাধিক মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। তাছাড়া ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়ার মতো মশা বাহিত রোগের বাড়বাড়ন্ত আছেই। যাকে কেন্দ্র করে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন সাঁপুইপাড়া বসুকাটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা বিমল ভট্টাচার্য। সেই মামলায় সম্প্রতি বিচারপতি সৌমেন সেনের এজলাসে রিপোর্ট দিয়ে রাজ্য জানিয়েছে, শীঘ্রই জল যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবেন ওই এলাকার মানুষ।
রাজ্যের তরফে আইনজীবী শীর্ষাণ্য বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ওই এলাকায় ড্রেনেজ প্রকল্পের কাজের জন্য ইতিমধ্যেই ১৪.২৭ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। এই মর্মে রিপোর্ট পেশ করেছেন হাওড়ার জেলাশাসক। ওই রিপোর্টে পূর্তদপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার জানিয়েছেন, রাস্তা ও ড্রেন তৈরির ডিটেলড প্রোজেক্ট রিপোর্ট বা ডিপিআর তৈরি হয়ে গিয়েছে। সাঁপুইপাড়া বসুকাটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় একটি পাম্প হাউস ও ওই এলাকার পলি নিষ্কাশনের জন্য যাবতীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী বছর বর্ষা আসার আগেই সেই কাজ সম্পন্ন হবে বলে রিপোর্ট উল্লেখ করা হয়েছে। আগামী ১৯ জুন মামলার পরবর্তী শুনানি। রিপোর্টের ভিত্তিতে ওই দিন বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিতে পারে আদালত।