Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

আগামী সপ্তাহেই শেষ হচ্ছে সাড়ে ৮ হাজার চিকিৎসক-কর্মী নিয়োগ, বাংলায় নাকি চাকরি নেই! বাম-বিজেপির সমালোচনার জবাব

বাংলায় নাকি চাকরি নেই! সোশ্যাল মিডিয়ায় রাতদিন এমন প্রচার চালায় বাম-বিজেপি। ফের একবার সেই প্রচারের মুখে ঝামা ঘষে দিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বাস্থ্যদপ্তর।

আগামী সপ্তাহেই শেষ হচ্ছে সাড়ে  ৮ হাজার চিকিৎসক-কর্মী নিয়োগ, বাংলায় নাকি চাকরি নেই! বাম-বিজেপির সমালোচনার জবাব
  • ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বাংলায় নাকি চাকরি নেই! সোশ্যাল মিডিয়ায় রাতদিন এমন প্রচার চালায় বাম-বিজেপি। ফের একবার সেই প্রচারের মুখে ঝামা ঘষে দিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বাস্থ্যদপ্তর। জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের (এনএইচএম) রাজ্য শাখায় প্রায় ১০ হাজার অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ প্রায় শেষের পথে। তখনই মিলল স্থায়ী চাকরি সংক্রান্ত সংবাদ। আগামী সপ্তাহের মধ্যে সম্পূর্ণ হতে চলেছে স্বাস্থ্যদপ্তরে বিপুল কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া। ওয়েস্ট বেঙ্গল হেলথ রিক্রুটমেন্ট বোর্ড সূত্রে খবর, ৪৭টি পদে সহকারী অধ্যাপক, জেনারেল ডিউটি মেডিকেল অফিসার (জিডিএমও), স্টাফ নার্স, জিএনএম নার্স, ফার্মাসিস্ট ও মেডিকেল টেকনোলজিস্ট মিলিয়ে প্রায় সাড়ে ন’হাজার কর্মী নিয়োগের রিক্যুইজিশন পাঠিয়েছিল স্বাস্থ্যদপ্তর। তার মধ্যে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার কর্মী নিয়োগ সম্পূর্ণ। সরকারকে চূড়ান্ত প্যানেলও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। আরও প্রায় ১২০০ কর্মী নিয়োগ শেষের মুখে। প্রায় ৭০ হাজারের বেশি চাকুরিপ্রার্থী বিভিন্ন পদে আবেদন করেছিলেন। 

Advertisement

এবার জিডিএমও এবং সহকারী অধ্যাপক মিলিয়ে ১৮০০’র বেশি চিকিৎসক নিয়োগের পরিকল্পনা করেছিল বোর্ড। ১৫০০-র বেশি চিকিৎসকের প্যানেল প্রকাশিত হয়েছে, যা সাম্প্রতিককালে সর্বোচ্চ।  মহিলা ও পুরুষ নার্স মিলিয়ে (স্টাফ নার্স গ্রেড ২ এবং জিএনএম নার্স) প্রায় সাড়ে ৬ হাজার নিয়োগের পরিকল্পনা হয়েছিল। এর মধ্যে প্রায় ৬ হাজার নার্সের প্যানেল প্রকাশিত। স্বাস্থ্যদপ্তরের প্রস্তাবমতো ৩৫০ ফার্মাসিস্ট ও আটশোর বেশি মেডিকেল টেকনোলজিস্ট নিয়োগের প্যানেল আগামী সপ্তাহেই প্রকাশিত হবে। 
সিপিএমপন্থী চিকিৎসক সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব হেলথ সার্ভিস ডক্টর্স-এর নেতা ডাঃ মানস গুমটা বলেন, ‘বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে রাজনৈতিক ব্যক্তির থাকার অধিকারই নেই। বারবার আপত্তি জানানোর পরও এই বোর্ডে সেটাই হয়েছে। আমাদের সাফ কথা, নিয়োগ হোক স্বাস্থ্যের সর্বস্তরে। তা হতে হবে স্বজনপোষণ ছাড়াই। সে ব্যাপারে এখনো মোটেই সন্তুষ্ট নই।’ বোর্ডের চেয়ারম্যান ডাঃ সুদীপ্ত রায় বলেন, ‘রাজ্যের অসংখ্য গুণী সিনিয়র শিক্ষক চিকিৎসক, অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ সিএমওএইচ  নিয়োগের ইন্টারভিউতে ছিলেন। বড় সংস্থার মাধ্যমে কম্পিউটার বেসড পরীক্ষা হয়েছে। যাঁকে নিয়ে বিতর্ক, সেই প্যানেল হোল্ড রাখা হয়েছে। আসলে যাঁদের সমালোচনাটাই কাজ, তাঁরা সেটাই করবেন।’ 

সম্পর্কিত সংবাদ