নয়াদিল্লি: প্রোফাইল পিকচারে মহিলার ছবি দেখে ভালো লেগে যায় রবির। থানের ২৭ বছর বয়সি প্রযুক্তিবিদ ঘুণাক্ষরেও টের পাননি তিনি আসলে কথা বলছেন পাকিস্তানি এজেন্টের সঙ্গে। যখন বোঝেন, তখন অনেকটা দেরি হয়ে গিয়েছে। আর পিছিয়ে আসার রাস্তা নেই। ভারতীয় নৌবাহিনীর জাহাজ, সাবমেরিন সংক্রান্ত নানা তথ্য পাচারের অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। সদ্য তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। কীভাবে তথ্য পাচার করেছিল সে? তদন্তকারীরা জেনেছে, নৌবাহিনী সম্পর্কে ১৪টি তথ্য হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ওই পাক এজেন্টকে দিয়েছিলেন রবি। তার মধ্যে পাঁচটি খবর ঠিক ছিল। কেবল রবি নয়, এই মুহূর্তে আরও একজনের উপরে সতর্ক নজর রেখেছেন তদন্তকারীরা। তিনি সুনীতা। নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে পাকিস্তানে চলে গিয়েছিলেন নাগপুরের এই বাসিন্দা। ১৪ বছরের ছেলেকে নিয়ে কার্গিলের হান্দারমান গ্রামে গিয়েছিলেন। গত মাসের শেষে তাঁকে অমৃতসর পুলিসের হাতে তুলে দেয় ইসলামাবাদ। তারপর থেকেই সুনীতাকে কেন্দ্র করে ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য। আদৌ ভুলবশত তিনি নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়েছিলেন নাকি অন্য কোনও উদ্দেশ্য ছিল তাঁর? সেই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে। কেন তাঁর উপর সন্দেহ হল ভারতীয় তদন্তকারীদের? জানা গিয়েছে, সুনীতার মোবাইল পরীক্ষা করেছিলেন তাঁরা। একাধিক স্পাইওয়্যার পাওয়া গিয়েছে সেখানে।



