Bartaman Logo
২ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বারাসত মেট্রো নিয়ে সাংসদের প্রশ্নের মুখে থতমত রেলমন্ত্রীই

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা করা বারাসত মেট্রো প্রকল্প কি বন্ধ করে দেবে মোদি সরকার? জমির অজুহাত দেখিয়ে প্রকল্পের কাজে গতি শ্লথ করাতেই এই প্রশ্ন উঠছে।

বারাসত মেট্রো নিয়ে সাংসদের প্রশ্নের মুখে থতমত রেলমন্ত্রীই
  • ২ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা করা বারাসত মেট্রো প্রকল্প কি বন্ধ করে দেবে মোদি সরকার? জমির অজুহাত দেখিয়ে প্রকল্পের কাজে গতি শ্লথ করাতেই এই প্রশ্ন উঠছে। তাই অবস্থান স্পষ্ট করতে মঙ্গলবার সরাসরি রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে মুখোমুখি কথা বললেন বারাসতের সাংসদ তৃণমূলের কাকলি ঘোষদস্তিদার। দিলেন চিঠিও। তৃণমূল সাংসদের প্রশ্নের মুখে বৈষ্ণব জানান, মধ্যমগ্রামের পর হৃদয়পুর এলাকায় জমির সমস্যা রয়েছে। কিছুটা অংশ লোকে কব্জাও করে রেখেছে। তাই কাজ হচ্ছে না। জমির জটই বাংলায় রেল প্রকল্প রূপায়ণে মূল সমস্যা। 

Advertisement

যদিও পাল্টা কাকলি তাঁকে বুঝিয়ে দেন, বারাসত মেট্রো প্রকল্পের যে অংশের কথা উল্লেখ করা হচ্ছে, সেই জমি রাজ্য সরকারের নয়। রেলের জমি। ওখানে যে রেললাইন রয়েছে, তার পাশ দিয়ে পিলার তুলেই মেট্রোর কাজ হওয়ার কথা। ফলে রাজ্যের জমি দেওয়ার এখানে কোনও প্রশ্নই নেই। রেলমন্ত্রী শেষে বলেন, ঠিক আছে, আমি অফিসারদের সঙ্গে কথা বলে প্রকল্পটির বিস্তারিত খোঁজ নেব। 
অন্যদিকে, রপ্তানির ক্ষেত্রে গত তিন মাসে কোনও পরিবর্তন হয়েছে কি? সরকারের কাছে লিখিতভাবে জানতে চান তৃণমূল সাংসদ মালা রায়। জবাবে বাণিজ্য মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী জিতিন প্রসাদ জানিয়েছেন, কোন কোন ক্ষেত্রে জানার জন্য ওয়েবসাইট দেখে নিন। সার্বিকভাবে গত ডিসেম্বর মাসে (মার্চেন্টাইজ এবং সার্ভিসেস) রপ্তানি হয়েছিল ৭৪.৬৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। জানুয়ারি ২০২৫ সালে তা হয়েছে ৭১.১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
তৃণমূল সাংসদ দীপক অধিকারী (দেব)র জানতে চেয়েছিলেন গত পাঁচ বছরে কত চটকল বন্ধ হয়েছে? জবাবে বস্ত্রমন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী পবিত্র মার্গারিটা জানিয়েছেন, সাতটি চটকল বন্ধ হয়েছে। যার মধ্যে একটি রয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। বাকি অন্ধপ্রদেশের তিনটি। বাকি একটি করে ছত্তিশগড়, ত্রিপুরা এবং উত্তরপ্রদেশের। আগামী বাদল অধিবেশনে রাজ্যসভার চেয়াকরম্যান জগদীপ ধনকারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট নোটিস আনবে বলে বিরোধীরা প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। ভুয়ো ভোটার কার্ড ইস্যুতে রাজ্যসভায় তৃণমূলের পাঁচ সদস্য আলোচনার দাবিতে নোটিস দিয়েছিলেন। চেয়ারম্যান রাজি না হওয়ায় তারা ওয়াক আউট করেন। লোকসভাতেও কংগ্রেসের গৌরব গগৈ আলোচনার দাবিতে মুলতুবি প্রস্তাবের নোটিস দেন। কিন্তু স্পিকার অনুমতি দেননি। 

সম্পর্কিত সংবাদ