নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: ছিল রাস্তা, হয়েছে যেন পুকুর। বৃষ্টির জমা জলে টইটুম্বুর রাস্তার বড়ো বড়ো গর্ত। ঝাঁ চকচকে বিল্ডিংয়ের অদূরে কাদাজলে পা দিয়ে পারাপার করতে হচ্ছে বহু আইটি কর্মী ও পড়ুয়াকে। গাড়ি-বাইক চলছে ধীরে। একটু অসাবধান হলে কাদায় পড়ার আশঙ্কা। এই দৃশ্য কোনো প্রত্যন্ত গ্রামের নয়, খোদ সল্টলেক সেক্টর ফাইভের। গোদরেজ ওয়াটার সাইড মোড় থেকে রিং রোড পার করে ভেড়ির রাস্তার এই হাল দাঁড়িয়েছে। সে রাস্তাটি মিশেছে মহিষবাথানের কাছে নিউটাউনগামী মূল রাস্তায়। যাঁরা ওই পথে যাতায়াত করেন তাঁদের কথায়, প্রশাসনের আধিকারিকরা এই বর্ষায় একবার ঘুরে গেলেই টের পাবেন কী অবস্থা! পূর্ণ সংস্কার দরকার। অন্তত প্যাচওয়ার্ক করা হলেও সমস্যা মিটবে কয়েকশো মানুষের।
কলেজ মোড় থেকে গোদরেজ ওয়াটার সাইড মোড়ের দিকে গেলে রিং রোডে বাঁদিকে যাওয়া যায় না। ওই রাস্তাটি ওয়ান ওয়ে। রিং রোড ধরে গাড়িগুলি নলবন হয়ে চিংড়িঘাটার দিকে যায়। ফলে যাঁরা কলেজ মোড়ের দিক থেকে গোদরেজ ওয়াটার সাইডে যান তাঁদের নিউটাউন যেতে হলে ইউ টার্ন করে ঘুরে যেতে হয়। অথবা গোদরেজ ওয়াটার সাইড ভবনকে বাঁদিকে রেখে রিং রোড পার করে ভেড়ির রাস্তা ধরতে হয়। ওই রাস্তা মহিষবাথানে গিয়ে মিশেছে। যে রাস্তাটি বলাকার কাছে ফ্লাইওভার হয়ে নিউটাউনে যাচ্ছে। এই ভেড়ির রাস্তাটি কাঁচা রাস্তা ছিল। তবে ইট দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বৃষ্টির জেরে তা বেহাল হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে রিং রোড থেকে ভেড়ির দিকে যাওয়ার শুরুর পথে প্রায় ২০০ মিটার রাস্তার হাল অত্যন্ত খারাপ। ওই রাস্তা দিয়ে বহু পড়ুয়া হেঁটে মহিষবাথানের দিকে যায়। অনেক কর্মী পারাপার করেন। নিরাপত্তার স্বার্থে ওই রাস্তায় দিনের বেলাতেও পুলিশ টহল দেয়। এক ছাত্র বলেন, বৃষ্টি হলেই রাস্তা পুকুর হয়ে যায়। জুতো ভিজে যায়। ইউনিফর্ম নোংরা হয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া পা পিছলে গেলে বিপদ কারণ দু’পাশে ভেড়ি। সোজা পড়তে হবে জলে। প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, মহিষবাথানের দিকের কিছু অংশে ইট দিয়ে সোলিং করা হয়েছিল। বাকি অংশটি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।