নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ভারতীয় নাগরিক। পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা। নাগরিকত্বের প্রয়োজনীয় নথিপত্রও সঙ্গে আছে। তা সত্ত্বেও কিছু ভারতীয় নাগরিককে বাংলাদেশে পুশব্যাক করা হচ্ছে। এনিয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, বাংলা ভাষায় কথা বললেই ‘বাংলাদেশি’ ভেবে নেওয়া হচ্ছে! এই ঘটনা লজ্জার, ধিক্কারযোগ্য।
ঘটনাচক্রে মুর্শিদাবাদ এবং পূর্ব বর্ধমানের পাঁচজন মুম্বই গিয়েছিলেন নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করতে। অভিযোগ, সেখানকার পুলিস-প্রশাসন তাঁদের ‘বাংলাদেশি’ সন্দেহে বিএসএফের হাতে তুলে দেয়। পরে বিএসএফ তাঁদের বাংলাদেশে পুশব্যাকও করে!
খবরটি আসে রাজ্য সরকারের কাছে। ওই পাঁচজনকে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয় রাজ্য প্রশাসন। ওই বিষয়টিকে সোমবার বিধানসভায় তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘ওঁরা বাংলা ভাষায় কথা বলেন। ওঁদের কাছে আধার কার্ড এবং প্যান কার্ডসহ যাবতীয় পরিচয়পত্র রয়েছে। তা সত্ত্বেও ডাবল ইঞ্জিন সরকার তাঁদের বাংলাদেশে পুশব্যাক করেছে! বাংলায় কথা বলা কি অপরাধ?’ রাজ্য পরিযায়ী শ্রমিক ওয়েলফেয়ার বোর্ডের চেয়ারম্যান সামিরুল ইসলাম জানান, মুখ্যমন্ত্রীর তৎপরতায় পাঁচজন পরিযায়ী শ্রমিককে রাজ্যে ফিরিয়ে আনা গিয়েছে। অন্যদিকে, উত্তর ২৪ পরগনার বাগদার বাসিন্দা এক পরিযায়ী শ্রমিককেও বাংলাদেশে পুশব্যাক করা হয়েছে। তাঁর
বিষয়টি দেখা হচ্ছে বলে জানান সামিরুল। - ফাইল চিত্র