ধরমশালা: পাঞ্জাব কিংসের দুরন্ত ছন্দ অব্যাহত। রবিবার লখনউ সুপার জানান্টসকে ৩৭ রানে হারিয়ে দিল প্রীতি জিন্টার দল। প্রথমে ব্যাট করে পাঞ্জাবের করা ৫ উইকেটে ২৩৬ রান টপকাতে পারল না লখনউ। ১৯৯ রানেই ইতি পড়ল তাদের ইনিংস। হাতে ছিল তিন উইকেট।
ধরমশালা: পাঞ্জাব কিংসের দুরন্ত ছন্দ অব্যাহত। রবিবার লখনউ সুপার জানান্টসকে ৩৭ রানে হারিয়ে দিল প্রীতি জিন্টার দল। প্রথমে ব্যাট করে পাঞ্জাবের করা ৫ উইকেটে ২৩৬ রান টপকাতে পারল না লখনউ। ১৯৯ রানেই ইতি পড়ল তাদের ইনিংস। হাতে ছিল তিন উইকেট।
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এক হাজার চারশো সাতান্ন মিটার উচ্চতায় ধরমশালা ক্রিকেট স্টেডিয়াম। পাহাড়ে ঘেরা মনোরম পরিবেশ দৃষ্টি আকর্ষণ করতে বাধ্য। কিন্তু রবিবার ছবির মতো সুন্দর সেই মাঠের সব আলো একা কেড়ে নিলেন প্রভসিমরন সিং। ৪৮ বলে মারকাটারি ৯১ রানের ইনিংসে মাতিয়ে দিলেন গ্যালারি। তাঁর ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ভর করে লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে রানের পাহাড় গড়ল পাঞ্জাব কিংস। শুধু প্রভসিমরনই নন, ব্যাট হাতে সফল জশ ইংলিশ (৩০), অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার (৪৫) ও শশাঙ্ক সিং (৩৩)।
টস জিতে পাঞ্জাবকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন লখনউ অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। শুরুতেই প্রিয়াংশ আর্যর (১) উইকেট নিয়ে জোর ধাক্কা দেন আকাশ সিং। তবে সেই ফায়দা তুলতে ব্যর্থ বাকি বোলাররা। উল্টে প্রভসিমরনের তেজে নাস্তানাবুদ হলেন মায়াঙ্ক যাদব, আভেশ খানরা। প্রথমে জস ইংলিশ ও পরে শ্রেয়সকে সঙ্গে নিয়ে বড় রানের ভিত গড়ে দেন পাঞ্জাব ওপেনার। ৭টি ছয় ও ৬টি চারের সৌজন্যে প্রভসিমরন করেন ৯১ রানে। সেঞ্চুরি হাতছাড়া হল মাত্র ৯ রানের জন্য। তবে উইকেটে বেশিক্ষণ কাটাতে পারেননি নেহাল ওয়াধেরা। ১৬ রানে ফিরলেন তিনি।
জবাবে রান তাড়া করতে নেমে অর্শদীপ সিংয়ের আগুনে পেসের ঝলকে ফিরে যান লখনউয়ের প্রথম সারির প্রায় সব ব্যাটার। বাঁ হাতি পেসারের ঝুলিতেই তিনটি শিকার। তাঁর বলে প্রথমে মিচেল মার্শের (০) উইকেটে হারায় লখনউ। অপর ওপেনার আইডেন মার্করামের ইনিংস শেষ হয় ১৩ রানে। তিনে নামা নিকোলাস পুরান ডোবান মোক্ষম সময়ে (৬)। এরপর পন্থ (১৮) ও মিলারকে (১১) ফেরান ওমরজাই। মিডল অর্ডারে আয়ুশ বাদোনি (৭৪) ও লোয়ার অর্ডারে আব্দুল সামাদ (৪৫) লড়াই করলেও শেষ রক্ষা হয়নি। ৭ উইকেটে ১৯৯ রানে থামে লখনউয়ের ইনিংস।