Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

৪ পুরসভায় নজরদারি, দ্রুত কাজ শেষের নির্দেশ ডিএমের

৪ পুরসভায় নজরদারি, দ্রুত কাজ শেষের নির্দেশ ডিএমের
  • ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: জলপাইগুড়ি জেলার চার পুরসভার কাজে কড়া নজরদারি জেলা প্রশাসনের। পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের অর্থের পাশাপাশি রাজ্যের বরাদ্দে চলা প্রকল্পের কাজ কী অবস্থায়, তা খতিয়ে দেখলেন জেলাশাসক শমা পারভীন। 
Advertisement
মঙ্গলবার নিজের দপ্তরে পুরসভাগুলিকে নিয়ে বৈঠক করেন ডিএম। উপস্থিত ছিলেন এডিএম (সাধারণ) ধীমান বাড়ই ও এডিএম (উন্নয়ন) পুষ্পক রায়। জলপাইগুড়ি, ময়নাগুড়ি, ধূপগুড়ি ও মাল পুরসভার প্রতিনিধিরা এসেছিলেন। বিভিন্ন প্রকল্পের স্ট্যাটাস রিপোর্ট জানতে চান জেলাশাসক। দ্রুত সব প্রকল্পের কাজ শেষ করতে বলেন। বৈঠক শেষে ডিএম বলেন, পুরসভাগুলির কাজকর্ম কী অবস্থায় রয়েছে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে কাজে গতি আনতে বলেছি। 
সোমবার মাল পুরসভার চেয়ারম্যান হিসেবে চেয়ারে বসেছেন উৎপল ভাদুড়ি। এদিন বৈঠকে যোগ দেন তিনি। বলেন, জুলাই থেকে আবাসের টাকা ঢুকছে না। প্রায় দেড় হাজার ঘরের কাজ আটকে গিয়েছে। আটশোর মতো ঘরের কাজ শুরু করা যায়নি। আগে কিছু গরমিলের অভিযোগ উঠেছিল। কিন্তু গত মাসে অডিট হয়েছে। এবার যাতে টাকা পাওয়া যায়, জেলাশককে বললাম। পুরসভার নিজস্ব তহবিলের অবস্থা খুবই খারাপ বলে স্বীকার করে নেন নয়া চেয়ারম্যান। উল্লেখ্য, মাল পুরসভা এবার পঞ্চদশ অর্থ কমিশনে ১ কোটি ৫ লক্ষ টাকা পেয়েছে। 
ধূপগুড়ি পুরসভার প্রশাসক বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান রাজেশকুমার সিং বলেন, কিছু কাজের ক্ষেত্রে বরাদ্দ নিয়ে বৈঠকে জানাই। ডিএম বিষয়টি দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। ডেঙ্গু নিয়ে সব পুরসভাকে সজাগ থাকতে বলা হয়েছে। জলপাইগুড়ি পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায় বলেন, শহরে বর্জ্য সাফাইয়ে আমরা নৈশকালীন শিফ্ট চালু করেছি। জেলাশাসক বিষয়টি প্রশংসা করেছেন। শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে বিশেষ অভিযান চালু করতে যাচ্ছি। ওই অভিযানে শহরে রাস্তার ধারে কোনও স্ক্র্যাপ বা বর্জ্য পড়ে রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হবে। মাধ্যমিক মিটলেই পেইড পার্কিং ও টোটো নিয়েও চূড়ান্ত রূপরেখা তৈরি করে ফেলব। 
যদিও জলপাইগুড়ি পুরসভার বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়মিত বোর্ড মিটিং হচ্ছে না। যাতে নিয়মিত বোর্ড মিটিং করা হয় সেব্যাপারে আগেও পুরসভাকে নির্দেশ দিয়েছিলেন জেলাশাসক। ফের পুরসভার বোর্ড মিটিং অনিয়মিত হয়ে পড়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রশ্নের উত্তরে জেলাশাসক বলেন, এমনটা হওয়া ঠিক নয়। খোঁজ নিয়ে দেখছি। ময়নাগুড়ি পুরসভার তরফে জানানো হয়, তাদের সেসপুল রয়েছে। কিন্তু বর্জ্য ফেলার জন্য উপযুক্ত জায়গা নেই। ফলে ওই সেসপুল ব্যবহার করা যাচ্ছে না।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ