নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: মধ্যমগ্রাম বিধানসভার ইছাপুর-নীলগঞ্জ পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকায় বেনিয়মে তৈরি ও বিক্রি হয় নিষিদ্ধ বাজি। এবার সেখানে ‘বাজি ক্লাস্টার’ তৈরি করতে তৎপরতা শুরু করল জেলা প্রশাসন। মূলত, প্রশাসনের পক্ষ থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত বাজি ব্যবসায়ীদের আনা হবে একছাতার তলায়। তাই শনিবার জেলা পর্যায়ের বৈঠক হল বারাসতে উত্তর ২৪ পরগনা জেলাশাসকের দপ্তরে। এদিন বৈঠকে হাজির ছিলেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ, জেলাশাসক শরদকুমার দ্বিবেদী, বারাসত পুলিস জেলার সুপার প্রতীক্ষা ঝাড়খড়িয়া, অতিরিক্ত পুলিস সুপার অতীশ বিশ্বাস সহ আধিকারিক ও বাজি ব্যবসায়ীরা।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন বাজি ব্যবসায়ীরা দত্তপুকুর থানার অন্তর্গত ইছাপুর-নীলগঞ্জ পঞ্চায়েতের জালসুখায় বাজি ক্লাস্টার তৈরির প্রস্তাব দিয়েছেন। সেই মতো একটি জায়গাও ওঁরা জেলা প্রশাসনকে দেবে বলে জানিয়েছেন। সোমবার জিএম ডিআইসির নেতৃত্বে বিএলএলআরও সহ পুলিস ও প্রশাসন পরিদর্শনে যাবেন এই জমি। তারপরই সেখানে বাজি ক্লাসটার করা যায় কি না, তার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এনিয়ে মন্ত্রী রথীন ঘোষ বলেন, আইনিভাবে পরিকাঠামো তৈরি করতে নীলগঞ্জের বাজি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক হল। তারা নীলগঞ্জের জালসুখা এলাকায় ৫০-৬০ বিঘে পুকুর সহ জমি চিহ্নিত করেছেন। পরিদর্শনের পর সেটিকে উপযুক্ত বলে মনে করা হলে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে, প্রশাসন স্পষ্ট জানিয়েছে বাড়িতে কোনওভাবে ঝুঁকি নিয়ে বাজি তৈরি ও বিক্রি করা যাবে না। এদিকে বারাসত পুলিস জেলার অতিরিক্ত পুলিস সুপার (জোনাল) অতীশ বিশ্বাস বলেন, যাঁদের লাইসেন্স আছে তাঁরাই একমাত্র ব্যবসা করতে পারবেন ক্লাস্টারে।