নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: জিএসটির সংস্কার কর্মসূচি সরকারই করছে। এই দাবি করে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন বলেছেন, যে সেক্টরে বৈষম্য রয়েছে সেখানে কীভাবে ভারসাম্য আনা যায়, তা খতিয়ে দেখছে মন্ত্রিগোষ্ঠী। অর্থমন্ত্রী বলেন, কৃষি সেক্টরের জন্য প্রয়োজনীয় পণ্য, উপকরণ, যন্ত্রাংশের উপর জিএসটি আরও কীভাবে কমানো যায়, সেটা খতিয়ে দেখছে মন্ত্রিগোষ্ঠী। এই তালিকায় রয়েছে কীটনাশক, সেচ ব্যবস্থার প্রয়োজনীয় উপকরণ। এছাড়া খাদ্য সেক্টরের ক্ষেত্রে আরও বেশি বিকেন্দ্রভূত পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এই সেক্টরেরও জিএসটি কমবে।
মঙ্গলবার লোকসভায় সাতটি সংশোধনী সহ অর্থবিল পাশ হয়েছে। এই সাত সংশোধনীই এনেছে সরকার। আলোচনায় বারবার বিরোধীদের পক্ষ থেকে কর কাঠামোর বৈমষ্য এবং জিএসটির ত্রুটি নিয়ে সরকারকে আক্রমণ করা হয়েছে। একইভাবে বেকারত্ব ও মূল্যবৃদ্ধি রোধে এই বাজেটে সরকার যে কোনও দিশাই দেখায়নি, সেই অভিযোগে সোচ্চার হয়েছে বিরোধী দলগুলি। মঙ্গলবার অর্থমন্ত্রী জবাবি ভাষণে বলেন, জিএসটি নিয়ে বিরোধীরা সম্পূর্ণ ভ্রান্ত তথ্য প্রচার করছে। কারণ ভারতের জিএসটি ব্যবস্থায় সব মিলিয়ে গড় কর বলবৎ রয়েছে সাড়ে ১২ শতাংশ। সাধারণ মানুষের ব্যবহার্য মাত্র ৩ শতাংশ পণ্যের উপর ২৮ শতাংশ জিএসটি। নিত্যপণ্যের সিংহভাগ জিএসটি ৫ শতাংশ অথবা শূন্য। সুতরাং রাজনৈতিকভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানো চলছে। ইতিমধ্যেই একঝাঁক সেস ও লেভি মকুব করা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ইলেকট্রিক গাড়ির ব্যাটারি, মোবাইল উৎপাদনকে উৎসাহ দিতে একগুচ্ছ পণ্যের আমদানি শুল্ক রদ করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, নতুন আয়কর বিল আসছে সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনে। ওই অধিবেশনেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে।