সংবাদদাতা, পতিরাম: দীর্ঘ ১২ বছর পর অবশেষে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ করতে চলেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ। ৮৪০ টি স্কুলে শূন্যপদের জন্য ১২৬৮ টি আবেদন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সোমবার থেকে নথি যাচাই শুরু হওয়ায় বালুরঘাটে ডিপিএসসিতে শিক্ষকদের লম্বা লাইন।
Advertisement
জেলায় প্রায় ৭১ শতাংশ স্কুলে প্রধান শিক্ষক নেই। এবিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান সন্তোষ হাঁসদা বলেন, দীর্ঘদিন প্রধান শিক্ষক নিয়োগ হয়নি। লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এবার সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেল। ভেরিফিকেশন ডিসেম্বরের ২৩ তারিখ পর্যন্ত চলবে। সিনিয়রিটির ভিত্তিতেই প্যানেল তৈরি করছি।
জেলার আটটি ব্লকে ১৭ টি সার্কেল রয়েছে। যার মধ্যে ১১৮৯ টি প্রাথমিক স্কুল। কয়েকবছর আগে পড়ুয়ার অভাবে বন্ধ করা হয়েছে পাঁচটি স্কুল। বর্তমানে জেলায় ১১৮৪ টি স্কুলের মধ্যে ৭১ শতাংশ স্কুলে প্রধান শিক্ষক নেই। শেষবার ২০১৩ সালে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ হয়েছিল। পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির জেলা সভাপতি সুকলাল হাঁসদা বলেন, দীর্ঘদিন পর নিয়োগ হচ্ছে। শিক্ষকদের দাবিদাওয়া তুলে ধরছি। এবার জেলাজুড়ে ১২৮১ টি আবেদন পড়েছিল। তারমধ্যে নথিতে ভুলের কারণে ১৩ টি আবেদন বাতিল হয়েছে। এবার ১২৬৮ জনের নথি যাচাই করা হচ্ছে। এদিকে স্কুলগুলিতে প্রধান শিক্ষক না থাকায় একাধিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। আরও অভিযোগ, জেলার বেশিরভাগ প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষকের সমবণ্টন নেই। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকার স্কুলগুলিতে শিক্ষকের সংখ্যা একেবারেই কম। আবার শহরের স্কুলগুলিতে শিক্ষকের সংখ্যা দ্বিগুণ। যার ফলে কম শিক্ষক থাকা স্কুলগুলিতে সমস্যা দিনদিন বাড়ছিল। শিক্ষকরা স্কুল পরিচালনা করতে গেলে পঠনপাঠনেও সমস্যা হচ্ছে। এবিষয়ে বালুরঘাটের বোয়ালদার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক গৌরাঙ্গ হালদার বলেন, প্রধান শিক্ষক না থাকার কারণে স্কুল পরিচালনার ক্ষেত্রে অনেক সমস্যা। দীর্ঘ কয়েক বছর পর আমরা প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগে অংশগ্রহণ করতে পেরেছি। খুব ভালো লাগছে। নিখিল বঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির জেলা সম্পাদক শঙ্কর ঘোষের মন্তব্য, আমরা দীর্ঘদিন আন্দোলন করছিলাম। স্বচ্ছতার সঙ্গে যাতে নিয়োগ হয়, সেই দাবি জানিয়েছি।
জেলার আটটি ব্লকে ১৭ টি সার্কেল রয়েছে। যার মধ্যে ১১৮৯ টি প্রাথমিক স্কুল। কয়েকবছর আগে পড়ুয়ার অভাবে বন্ধ করা হয়েছে পাঁচটি স্কুল। বর্তমানে জেলায় ১১৮৪ টি স্কুলের মধ্যে ৭১ শতাংশ স্কুলে প্রধান শিক্ষক নেই। শেষবার ২০১৩ সালে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ হয়েছিল। পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির জেলা সভাপতি সুকলাল হাঁসদা বলেন, দীর্ঘদিন পর নিয়োগ হচ্ছে। শিক্ষকদের দাবিদাওয়া তুলে ধরছি। এবার জেলাজুড়ে ১২৮১ টি আবেদন পড়েছিল। তারমধ্যে নথিতে ভুলের কারণে ১৩ টি আবেদন বাতিল হয়েছে। এবার ১২৬৮ জনের নথি যাচাই করা হচ্ছে। এদিকে স্কুলগুলিতে প্রধান শিক্ষক না থাকায় একাধিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। আরও অভিযোগ, জেলার বেশিরভাগ প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষকের সমবণ্টন নেই। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকার স্কুলগুলিতে শিক্ষকের সংখ্যা একেবারেই কম। আবার শহরের স্কুলগুলিতে শিক্ষকের সংখ্যা দ্বিগুণ। যার ফলে কম শিক্ষক থাকা স্কুলগুলিতে সমস্যা দিনদিন বাড়ছিল। শিক্ষকরা স্কুল পরিচালনা করতে গেলে পঠনপাঠনেও সমস্যা হচ্ছে। এবিষয়ে বালুরঘাটের বোয়ালদার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক গৌরাঙ্গ হালদার বলেন, প্রধান শিক্ষক না থাকার কারণে স্কুল পরিচালনার ক্ষেত্রে অনেক সমস্যা। দীর্ঘ কয়েক বছর পর আমরা প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগে অংশগ্রহণ করতে পেরেছি। খুব ভালো লাগছে। নিখিল বঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির জেলা সম্পাদক শঙ্কর ঘোষের মন্তব্য, আমরা দীর্ঘদিন আন্দোলন করছিলাম। স্বচ্ছতার সঙ্গে যাতে নিয়োগ হয়, সেই দাবি জানিয়েছি।



