Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

৫০০ পরিবারের জলকষ্ট মেটাল জয়েন্ট ফরেস্ট ম্যানেজমেন্ট কমিটি

৫০০ পরিবারের জলকষ্ট মেটাল জয়েন্ট ফরেস্ট ম্যানেজমেন্ট কমিটি
  • ৫ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, নাগরাকাটা: ৯০ হাজার টাকা খরচ করে নাগরাকাটা বস্তিতে ৫০০ পরিবারের জলকষ্ট মেটাল জয়েন্ট ফরেস্ট ম্যানেজমেন্ট কমিটি। সাফল্য দেখে এটাকে মডেল প্রজেক্ট হিসেবে নেওয়ার পরিকল্পনা শুরু করেছে বনদপ্তর।
Advertisement
চাপরামারি জঙ্গলের পাশে জলঢাকা নদীর ধারে এই বনবস্তিতে পানীয় জলের ব্যাপক কষ্ট ছিল। একসময় পরিস্থিতি এমন ছিল যে, পানীয় জলের কষ্ট মেটাতে জলঢাকা নদীর জল খেতে হতো বাসিন্দাদের। প্রশাসন দু’তিনটি  টিউবওয়েল বসালেও প্রায় সবক’টি খারাপ হয়ে যায়। ফলে সমস্যা যে তিমিরে ছিল সেই তিমিরেই রয়ে গিয়েছিল।
এদিকে জয়েন্টফরেস্ট ম্যানেজমেন্ট কমিটিকে বনদপ্তরের পক্ষ থেকে প্রতিবছর একটি শেয়ারের টাকা দেওয়া হয়। এবছর সেই শেয়ারের টাকা খরচ করে টিউবওয়েলের মাধ্যমে জল সমস্যা মেটালো কমিটি।
চালসার রেঞ্জার প্রকাশ থাপা বলেন, গ্রামের উন্নয়নের জন্য আমাদের দপ্তরের পক্ষ থেকে একটা শেয়ারের টাকা জয়েন্টফরেস্ট ম্যানেজমেন্ট কমিটিকে দেওয়া হয়। সেই টাকা থেকে টিউবওয়েলকে ব্যবহার করে পুরো গ্রামের জল সমস্যা মেটানো হয়েছে। এটা খুব ভালো উদ্যোগ। যেহেতু এই পরিকল্পনা সফল হয়েছে, তাই এটাকে মডেলপ্রজেক্ট হিসেবে ব্যবহার করে অন্য বনবস্তি এলাকায় জলকষ্ট মেটানোর ব্যবস্থা করা হবে। 
নাগরাকাটা বস্তি জয়েন্টফরেস্ট ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতি শেখ সাহিদ বলেন, এর আগেও বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেও জলকষ্ট মেটানো যায়নি। আমরা যখন শেয়ারের টাকা পাই, তখন এলাকার পঞ্চায়েত সদস্য সুদামা ওরাওঁ এবং  গ্রামবাসীদের নিয়ে বসে আলোচনা করে টিউবওয়েলকে ব্যবহার করে পাইপ লাইনের মাধ্যমে জলকষ্ট মেটালাম। এটা প্রথমে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করেছি। দেখা যাচ্ছে, ভালোই চলছে। সফলতাও পেলাম। এখন আর জলকষ্ট নেই গ্রামে।
প্রথমে প্রতিটি বাড়ির সামনে পাইপলাইন বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। এবং ট্যাপকল লাগানো হয়েছে। এরপর একটি টিউবওয়েলের মুখের উপরটা খুলে দিয়ে সেখান পাম্পের মাধ্যমে জল তুলে পাইপ লাইনের মাধ্যমে প্রতিটি বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। সকালে দুপুরে ও বিকেলে এই তিনটি সময়ে জল দেওয়া হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই খুব কম টাকায় এখন প্রতিটি বাড়ির কাছে জল পৌঁছে যাচ্ছে।
সম্পর্কিত সংবাদ