Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

০,০,০! পর পর তিনটি বিধানসভা ভোটে শূন্যের হ্যাটট্রিক, দিল্লির মাঠে বিলীন হাত শিবির

০,০,০! পর পর তিনটি বিধানসভা ভোটে শূন্যের হ্যাটট্রিক, দিল্লির মাঠে বিলীন হাত শিবির
  • ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নয়াদিল্লি, ৮ ফেব্রুয়ারি: ১৯৯৮ সাল থেকে ২০১৩। টানা ১৫ বছর শাসনের পর দিল্লিতে পতন হয়েছিল কংগ্রেস সরকারের। তারপর কেটে গিয়েছে তিনটি বিধানসভা ভোট। কিন্তু বদলাল না ছবিটা। বিগত দুটি বিধানসভা নির্বাচনের মতো এবারও রাজধানীতে খাতা খুলতে পারল না কংগ্রেস। ২৭ বছর পর 'পরিবর্তনের হাওয়ায়' ভর করে দিল্লিতে যখন প্রত্যাবর্তন করল গেরুয়া শিবির। তখনই শূন্যের হ্যাটট্রিক করে নয়া রেকর্ড গড়ল কংগ্রেস। আপ প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দিল্লির ময়দানে প্রচার চালিয়েছিলেন কংগ্রেস নেতা তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। কিন্তু বাস্তবে যে তার কোনও প্রতিফলনই পড়ল না, আজ, শনিবার ভোটের ফল বেরোনোর পরই তা পরিষ্কার হয়ে গেল। শূন্যের গণ্ডিতেই আটকে রইল হাত শিবির।
Advertisement
নির্বাচন কমিশনের তথ্য বলছে, এবার কংগ্রেসের হাত চিহ্নে ভোট পড়েছে ৬.৩৭ শতাংশ। ২০১৫ সালে প্রথমবার শূন্যের ঘরে প্রবেশ করে কংগ্রেস। সেবার তাদের ঝুলিতে ছিল ৯.৬৫ শতাংশ ভোট। ২০২০ সালের বিধানসভা ভোটে তারা পেয়েছিল ৪.২৬ শতাংশ ভোট। ২০১৩ সালে বিধানসভা ভোটে দিল্লিতে শীলা দীক্ষিতের কংগ্রেস সরকার গদিচ্যুত হয়। উঠেছিল একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ। সেবারই প্রথম নির্বাচনে লড়ে ২৯.৪৯ শতাংশ ভোট নিয়ে ২৮টি আসনে জয়লাভ করেছিল অরবিন্দ কেজরিওয়াল নেতৃত্বাধীন আপ। অন্যদিকে, ৩১টি আসনে জিতে ৩৩.০৭ শতাংশ ভোট নিয়ে প্রথমস্থানে ছিল বিজেপি। কংগ্রেস পেয়েছিল ৮টি আসন। অন্যান্যরা পেয়েছিল ৩টি আসন। কিন্তু অদ্ভূতভাবেই কংগ্রেসের সঙ্গেই জোট করেই সরকার গড়ে ফেলে আপ। মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। যদিও এই সরকারের মেয়াদ ছিল মাত্র ৪৯ দিন। তারপর রাজধানীতে শুরু হয়েছিল রাষ্ট্রপতি শাসন। এরপর ২০১৫ সালের নির্বাচনে আপ পায় ৬৭টি আসন। বিজেপি জেতে ৩টি আসনে। ফের মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেন কেজরিওয়াল। ২০২০ সালে নির্বাচনে আপ জয়লাভ করে ৬২টি আসনে এবং বিজেপি পায় ৮টি। শেষে ২০২৫ সালে চলতি বছরের নির্বাচনে বিজেপির কাছে হেরে যায় আপ। কিন্তু ২০১৫ থেকে ২০২৫-এর সমস্ত নির্বাচনেই নিজেদের পারফরম্যান্স বজায় রাখে কংগ্রেস। কোনওভাবেই শূন্যর গণ্ডি পার করেনি তারা।
আজ, শনিবার ভোটের ফল বেরোনোর পর জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা কটাক্ষ করে সমাজমাধ্যমে লেখেন, "নিজেদের মধ্যে আরও লড়াই কর।" কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বলেন, "দিল্লির মানুষ পরিবর্তন চেয়েছিলেন, তা স্পষ্টই ছিল। তাঁরা পরিবর্তনের পক্ষেই ভোট দিয়েছেন। যাঁরা জিতেছে তাঁদেরকে আমি অভিনন্দন জানাই।"
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ